খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১১ মে ২০২৫
কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার জেরে পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা মিসাইল হামলা পর্যন্ত পৌঁছায়। এমন বাস্তবতায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল দুই দেশের দুই ফ্র্যাঞ্চাইজ ক্রিকেট লিগ। পাকিস্তান বিকল্প ভেন্যুর চেষ্টায় প্রাথমিকভাবে সফল হলেও শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারেনি। আবার ভারত তিন ভেন্যুতে আইপিএলকে নিয়ে আসার চেষ্টা করলেও সেটা আলোর মুখ দেখেনি। এরইমাঝে বিবদমান দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলে ক্রিকেটকে আবার মাঠে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, আগামী ১৩ মে’র মধ্যে সব বিদেশি খেলোয়াড়দের ভারতে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।
নতুন করে আইপিএলকে মাঠে ফেরানোর জন্য বিসিসিআই কমিটির বৈঠক শেষেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে এমন বার্তা দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে গণমাধ্যমটি। বোর্ডের এক সূত্রের বরাতে এমন খবর প্রচার করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। এক সপ্তাহের জন্য টুর্নামেন্ট স্থগিত থাকার কারণে ফাইনালও পিছিয়ে যাচ্ছে। ২৫মে এর বদলে ৩০মে তারিখ ফাইনাল হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, পাঞ্জাব কিংস ব্যতীত টুর্নামেন্টের বাকি ৯ দলকেই তাদের নিজ নিজ হোম ভেন্যুতে ফিরতে বলা হয়েছে। শুক্রবার থেকেই ফের আইপিএল মাঠে গড়াবে– সেই প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে সব দলকেই।
তবে চলমান এই অবস্থায় এক দিনে দুই ম্যাচের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। এখন পর্যন্ত আইপিএলে পরিত্যক্ত দিল্লি-পাঞ্জাব ম্যাচসহ বাকি আছে ১৭ ম্যাচ। যার অর্থ, প্লে-অফের চার ম্যাচসহ অন্তত দুই সপ্তাহের বেশি দরকার হবে পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর বলছে, বিসিসিআই চায় আগামী ২ সপ্তাহের মাঝেই আইপিএল শেষ করতে। সে হিসেবে একদিনে একাধিক ম্যাচের দেখা মিলতে পারে।
প্রসঙ্গত, স্থগিত হওয়ার আগে আইপিএলের অষ্টাদশ আসর থেকে ছিটকে গেছে চেন্নাই সুপার কিংস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। বাকি সাতটি দল এখনও প্লে-অফের দৌড়ে আছে। অবশ্য এর মধ্যে শীর্ষে (যথাক্রমে গুজরাট টাইটান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস) থাকা দলগুলোরই সম্ভাবনা বেশি।
খবরওয়ালা/এসআর