খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। এইবার ৯ জন মনোনীত সাহিত্যিক এই জাতীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন। অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেবেন।
আজ সোমবার বাংলা একাডেমি একটি অফিসিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মনোনীত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেছে। বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, এই পুরস্কার দেশের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখা ব্যক্তিদের উৎসাহিত করতে দেওয়া হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা নিম্নরূপ:
| ধারায় | পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি |
|---|---|
| কবিতা | মোহন রায়হান |
| কথাসাহিত্য | নাসিমা আনিস |
| প্রবন্ধ–গদ্য | সৈয়দ আজিজুল হক |
| শিশুসাহিত্য | হাসান হাফিজ |
| অনুবাদ | আলী আহমদ |
| গবেষণা | মুস্তাফা মজিদ, ইসরাইল খান |
| বিজ্ঞান | ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী |
| মুক্তিযুদ্ধ | মঈদুল হাসান |
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫-এর জন্য প্রস্তাবক কমিটি যে প্রার্থীদের প্রস্তাব করেছে এবং সাহিত্য পুরস্কার কমিটি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার প্রেক্ষিতে বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদ এই পুরস্কার অনুমোদন করেছে।”
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য পুরস্কারগুলির মধ্যে একটি। এটি প্রতি বছর সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তিরা সাধারণত তাদের জীবনকালের বিভিন্ন সময় সাহিত্যচর্চায় বিশেষ অবদান রেখে থাকেন।
প্রতিটি বিভাগে বিজয়ী নির্বাচনের পেছনে একটি প্রস্তাবক কমিটি থাকেন, যারা সংশ্লিষ্ট ধারার লেখক ও গবেষকদের মনোনীত করেন। এরপর সাহিত্য পুরস্কার কমিটি চূড়ান্তভাবে বিজয়ীদের নাম অনুমোদন করে। পুরস্কারের অর্থমূল্য, সনদ ও পদক সাধারণত একাডেমির আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বাংলা একাডেমির এই উদ্যোগ দেশের সাহিত্য জগতে নতুন প্রজন্মের লেখকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রমাণ করে, আমাদের সাহিত্যচর্চা এখনও জীবন্ত ও সমৃদ্ধ। গত বছরও বিভিন্ন ধারায় অসাধারণ লেখকরা এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন, যা তাদের কর্মজীবনে বিশেষ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
এবারের ২০২৫ সালের পুরস্কার বিজয়ীরা বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণাত্মক অবদান রেখেছেন, যা ভবিষ্যতের সাহিত্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করবে।