খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 31শে আষাঢ় ১৪৩২ | ১৫ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বিশ্বের বাসযোগ্য শহরের ১৭৩টি তালিকায় তিন ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার। গত বছর এই তালিকায় ১৬৮তম অবস্থানে থাকলেও চলতি বছর ১৭১ নম্বরে নেমে এসেছে শহরটি।
ইকোনমিস্টের প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) প্রকাশিত বার্ষিক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। রাজনৈতিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো, পরিবেশ এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের মতো বিষয়গুলোর ভিত্তিতে এই জরিপ করা হয়েছে।
তালিকায় ঢাকার পেছনে রয়েছে কেবল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক ও লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি। ঢাকার ঠিক আগে অর্থাৎ ১৭০তম অবস্থানে আছে পাকিস্তানের শহর করাচি।
২০২৫ সালে ইআইইউর তালিকায় বেশ পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই তালিকার শীর্ষে ছিল ভিয়েনা। তবে এবার ভিয়েনাকে টেক্কা দিয়ে শীর্ষ বসবাসযোগ্য শহরের স্বীকৃতি ছিনিয়ে নিয়েছে কোপেনহেগেন। তবে এখনো ভিয়েনা দ্বিতীয় অবস্থানেই রয়েছে।
বসবাসযোগ্যতার বিচারে এর পরের ৮ শীর্ষ শহর হলো, যথাক্রমে- সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, জাপানের ওসাকা, নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ও কানাডার ভ্যাঙ্কুভার।
ইআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ২০২৫ সালের বসবাসযোগ্য শহরের সূচকে জোর ধাক্কা লেগেছে। বিশেষ করে গত বছর ভিয়েনায় বোমা হামলার হুমকি দেখা দিলে টেইলর সুইফটের কনসার্ট বাতিল হয়। এছাড়া সম্প্রতি ভিয়েনার একটি রেলস্টেশনে পরিকল্পিত হামলাও ঠেকানো হয়। যার প্রভাবেই দেশটির তালিকার শীর্ষত্ব হারিয়েছে। অন্যদিকে উচ্চমানের স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো ও পরিবেশ সূচকই কোপেনহেগেনকে শীর্ষ বসবাসযোগ্য শহরের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
১৭৩টি শহরের মধ্যে কম বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে এখনো আছে দামেস্ক। গত বছর সিরিয়ায় সরকার পরিবর্তন হলেও দামেস্ক এখনো গৃহযুদ্ধের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। ফলে শহরটির বসবাসযোগ্যতার কোনো উন্নতি হয়নি। একই অবস্থা ত্রিপোলিরও। তার ঠিক পরেই থাকা ঢাকার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বসবাসযোগ্যতার বিভিন্ন মানদণ্ডে এই শহরের অবস্থানের আরও অবনতি হয়েছে।
খবরওয়ালা/এসআর