বিশেষ প্রতিবেদক ॥ ভুয়া বিএড সনদে চাকরির অভিযোগ দুই স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের হাউসপুর গ্রামের কে এইচ এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল কাদের ও মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে ভুয়া বিএড সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মাঝে তাদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া ওই বিদ্যালয়ের ভুয়া লাইব্রেরিয়ান সার্টিফিকেট ব্যবহার করে লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা পদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্কুল ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, শিক্ষক আব্দুল কাদের ও মজিবর রহমানের ভুয়া বিএড সনদের মাধ্যমে শিক্ষক পদে যোগদান করেন। এই পদে এমপিওভুক্ত হয়ে বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ উত্তোলন করছেন। তাদের দাখিল করা বিএড ডিগ্রি অর্জনের সনদটি সঠিক নয়। এছাড়াও ভুয়া লাইব্রেরিয়ান সার্টিফিকেট ব্যবহার করে লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা পদে চাকরি নিয়েছে জহুরুল ইসলাম।
ভুয়া বিএড সনদে চাকরির অভিযোগ দুই স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে
তাদের সনদ ভুয়া জেনেও এখনও চাকরি বহাল রাখা হয়েছে। কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। অভিযুক্তরা সবাইকে ম্যানেজ করে ভুয়া বিএড সনদে চাকরি করে আসছে বহু বছর ধরে। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। এসব অভিযোগের বিষয়ে কে এইচ এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গেলে অভিযুক্তদের কেউই সনদ দেখাতে পারেননি।

তারা বলেন, সনদ দেখানো যাবে না। আমাদের সনদ ঠিক আছে। এবিষয়ে কে এইচ এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোলাইমান হোসেন কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, এবিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা। তাদের সনদ দেখানো যাবে না। সেগুলো কোথায় আছে জানি না। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। বিস্তারিত পরবর্তি পর্বে।
আরও দেখুন:




