খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 4শে কার্তিক ১৪৩২ | ১৯ই অক্টোবর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় বিএনপির সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
হামলার শিকার আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম জানান, রবিবার সকাল থেকে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভেতরে ঢুকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে হট্টগোলের সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে মারধর করেন।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ভিডিও করছিলাম। হঠাৎ তিন-চারজন এসে আমাকে টেনে নিয়ে যায়। তারা আমার মোবাইল ভেঙে ফেলে, প্রেস কার্ড কেড়ে নেয়। আমি তাদের উদ্দেশে বলি, ভিডিও করা নিষেধ হলে আমি মুছে ফেলব। কিন্তু কোনো কথা না শুনেই তারা আমাকে মারধর করে কার্যালয়ের বাইরে বের করে দেয়।’
এ সময় ডেইলি স্টারের সাজ্জাদ, নয়া দিগন্তের অসীম আল ইমরান এবং জাগো নিউজের খালিদ হোসেনও হেনস্তার শিকার হন বলে উপস্থিত সাংবাদিকেরা জানান।
এ ঘটনার পর বিএনপির বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তাঁরা বলেন, একজন সাংবাদিককে রক্তাক্ত করা, মোবাইল ফোন ভাঙচুর ও আইডি কার্ড কেড়ে নেওয়া—এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ ঘটনায় বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদেরও জানানো হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘আমি সরাসরি ক্ষমাপ্রার্থী। নিজে আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের অফিসে থাকতে পারিনি, ঢাকার বাইরে থাকার কারণে। খবর শুনে তাৎক্ষণিক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। এ বিষয়ে দলের শীর্ষ মহলকেও জানিয়েছি।’