খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 23শে মাঘ ১৪৩২ | ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বর্তমান সময়ে দেশের বাজারে সোনার দাম ব্যাপকভাবে উর্ধ্বমুখী। দৈনিক ওঠানামার কারণে সাধারণ মধ্যবিত্তের জন্য সোনার গয়না সংগ্রহ করা ক্রমেই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বর্তমানে প্রতি ভরির সোনার দাম প্রায় আড়াই লাখ টাকা, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সোনার গয়না পরার শখকে কমিয়ে দিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বিদেশ ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরতে সোনার গয়না নিয়ে আসেন। বিদেশফেরতরা পরিবার ও আত্মীয়-পরিজনের জন্যও স্বর্ণ নিয়ে আসেন। তবে সোনার উচ্চমূল্যের কারণে কতটুকু সোনা আনতে পারবেন এবং কীভাবে আনবেন, তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিদেশ থেকে আনতে পারার সীমা ও শুল্কসংক্রান্ত নিয়মাবলী চলতি অর্থবছর থেকে নতুনভাবে সহজীকৃত হয়েছে। অনুচ্চিত যাত্রীদের জন্য ব্যাগেজ রুলসের আওতায় স্বর্ণপিণ্ড ও সোনার অলংকার আনায় সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
| ধরন | শুল্ক অব্যাহতি | সীমা | অতিরিক্ত আনলে শুল্ক |
|---|---|---|---|
| সোনার অলংকার | শুল্কমুক্ত | সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম বা প্রায় ৮ ভরি ১০ আনা | ১২টির বেশি আনতে পারবেন না |
| সোনার বার | শুল্কে আনা যায় | সর্বোচ্চ ১০ তোলা (প্রতি তোলায় ৫ হাজার টাকা শুল্ক) | প্রযোজ্য শুল্ক দিতে হবে |
শুল্ক-ছাড় ছাড়া একজন যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম সোনার অলংকার আনতে পারবেন। তবে এইভাবে ১২টির বেশি সোনার গয়না আনা যাবে না।
শুল্ক দিয়ে সোনা আনার ক্ষেত্রে, নতুন ব্যাগেজ নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি তোলার জন্য ৫ হাজার টাকা শুল্ক প্রদান করে সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনা সম্ভব।
বিদেশ ফেরত যাত্রীকে বিমানবন্দরে ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম পূরণ করতে হবে। এতে দিতে হবে:
যাত্রীর নাম ও পাসপোর্ট নম্বর
ফ্লাইট নম্বর
জাতীয়তা
কোন দেশ থেকে ফিরেছেন
শুল্ক-যোগ্য পণ্য থাকলে তার সম্পূর্ণ বিবরণ
যদি আনাগোনার মধ্যে শুল্কমুক্ত ১০০ গ্রাম সোনার অলংকার বা ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকে, তবে ফরম পূরণ করার প্রয়োজন নেই। এমন ক্ষেত্রে গ্রিন চ্যানেল ব্যবহার করে সরাসরি বিমানবন্দর ত্যাগ করা যাবে।
নতুন ব্যাগেজ রুলসের আওতায়, শুল্কমুক্ত পণ্য থাকলে বিমানবন্দর থেকে দ্রুত এবং ঝামেলাহীনভাবে বের হওয়া সম্ভব, যা বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধাজনক।