খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
রাজধানীর কদমতলীর জুরাইন মুরাদপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে চাঁদনী আক্তার (১৯) নামের এক তরুণী কীটনাশক পান করেন। পরে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর মাত্র চার মাস আগে নিজের পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিলো চাঁদনীর।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। চাঁদনী পটুয়াখালীর সদর উপজেলার কবির মৃধার মেয়ে। রাজধানীর জুরাইনের মুরাদপুরে স্বামী সাব্বিরের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।
কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌসী আক্তার জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে মুগদা মেডিকেল হাসপাতাল থেকে চাঁদনী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এসআই ফেরদৌসী আক্তার আরও বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, পারিবারিক বিষয় নিয়ে গত মঙ্গলবার স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় চাঁদনীর। একপর্যায়ে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করেন তিনি। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় চাঁদনীকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। বাসায় আসার পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে চাঁদনীকে মুগদা মেডিকেলে নেওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন চাঁদনীকে।
খবরওয়ালা/এফএস