খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ই জুলাই ২০২৬, ২:৯ পিএম
আসন্ন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ থিম সং বা মূলভাব সংগীত। দেশের এ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী রাজীব ও সানজিদা মাহমুদ লিজা এই গানটিতে একসঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন। গত ২ জুলাই রাজধানীর মগবাজারে প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফোয়াদ নাসের বাবুর নিজস্ব স্টুডিওতে গানটির রেকর্ডিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। চমৎকার ও অর্থবহ কথার গানটি লিখেছেন গীতিকার দীপক কুমার সাহা।
উন্নয়ন ও জনসচেতনতামূলক এই গানটির মূল বাণী সাজানো হয়েছে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে। গানের কয়েকটি চরণ এমন—‘এসেছে নতুন ভোর, খুলেছি সেবার দোর, নতুন শিশুকে করি আবাহন, যত্নে রত্ন মেলে, নিরাপদ সেবা পেলে, তার হাসিতেই হাসে এ ভুবন’।
গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন দেশের কিংবদন্তি ব্যান্ড ফিডব্যাকের দলনেতা ফোয়াদ নাসের বাবু। গানের রেকর্ডিং শেষে তিনি নিজের কাজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “রাজীব ও লিজা দুজনেই বর্তমান সময়ের বেশ পরিপক্ব ও ভালো মানের শিল্পী। গানের মূল আবেগকে তারা বেশ সুন্দরভাবে ধারণ করতে পেরেছে। আশা করছি গানটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।”
ফোয়াদ নাসের বাবুর মতো একজন গুণী মানুষের সঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দুই শিল্পীই। ক্লোজআপ ওয়ান তারকা রাজীব বলেন, “বাবু ভাইয়ের সুরে গান গাইতে পারাটা সবসময়ই আমার জন্য অন্যরকম আনন্দের এবং একটি দারুণ অভিজ্ঞতার বিষয়। এই গানটির সুর যেমন সহজ, তেমনই মনে রাখার মতো। শ্রোতাদের গানটি পছন্দ হবে বলেই আমার বিশ্বাস।”
অন্যদিকে লিজা নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, “গানের চমৎকার কথার সঙ্গে সুরের একটা দারুণ যোগসূত্র তৈরি করেছেন বাবু স্যার। স্টুডিওতে গাওয়ার সময়ই সুরটা আমার মন ছুঁয়ে গেছে। জনসংখ্যা দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে একজন শিল্পী হিসেবে আমার ভীষণ ভালো লাগছে।”
প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা সংক্রান্ত নানা সমস্যা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই দিবসটি পালনের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে গানটি দেশের প্রায় সবগুলো স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, বেতার এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একযোগে প্রচার করা হবে। মূলত সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপদ মাতৃত্ব, শিশুর যত্ন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ গানটি তৈরি করা হয়েছে।
মন্তব্য