খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সকল সাংবাদিকের জন্য ভয়মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা যেন কোনো ভয়, হুমকি বা রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে কাজ করতে না হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।
গত মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণের পর পরের দিন, বুধবার বেলা সোয়া একটায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় তিনি তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি নিজেও রাজনৈতিক জীবনে ভয় এবং চাপের মধ্যে বাস করার অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, “যাঁরা ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে কাজ করেন, তাঁদের মানসিক চাপ এবং জটিল পরিস্থিতি আমরা ভালোভাবেই বুঝতে পারি। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো পেশায় যারা সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকেন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত কঠিন।”
জহির উদ্দিন আরও বলেন, “সমস্যার মূলে আমরা পৌঁছেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির ব্যাপারে পরিষ্কার পরিকল্পনা দিয়েছেন। আমরা সেই দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি সত্যিই ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।”
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সুষ্ঠু সংবাদ পরিবেশ গঠন এবং মিডিয়ার স্বাধীনতা বৃদ্ধি করা রয়েছে।
নিচের টেবিলটি নতুন মন্ত্রিসভার তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো সংক্ষেপে দেখাচ্ছে:
| মন্ত্রিসভার পদ | মন্ত্রীর নাম | দায়িত্বের মূল ক্ষেত্র |
|---|---|---|
| প্রধানমন্ত্রী | তারেক রহমান | সরকার ও নীতি নির্ধারণ |
| তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী | জহির উদ্দিন স্বপন | গণমাধ্যম নিরাপত্তা, তথ্য নীতি, সাংবাদিক সমর্থন |
| অর্থমন্ত্রী | — | বাজেট, অর্থনৈতিক নীতি |
| শিক্ষা মন্ত্রী | — | শিক্ষা নীতি ও উন্নয়ন |
| স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী | — | আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা |
নতুন মন্ত্রিসভার এই উদ্যোগ আশা জাগাচ্ছে যে, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন থেকে আরও স্বাধীন এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কাজ করতে পারবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাংবাদিকরা নির্ভয়ে তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশনায় সক্ষম হবেন, যা দেশের গণতন্ত্রকে আরও দৃঢ় করবে।