খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 8শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ২০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু শুক্রবার দুপুরে আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি হয়েছেন। এই খবর নিশ্চিত করেছেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী-এর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল, যিনি জানান, বসু “মানসিক সমস্যার কারণে” আত্মহননের চেষ্টা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মেঘমল্লার বসুকে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানায়, বসুর মানসিক অবস্থার জন্য বিশেষ মনোবৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
জাবির আহমেদ জুবেল আরও বলেন, “আমরা এখনও জানি না কেন বসু এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে আমরা তার পাশে আছি এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরও সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি।”
মেঘমল্লার বসু বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও শিক্ষার্থীবান্ধব নীতির ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। তার এই হঠাৎ ঘটনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সহপাঠী ও ছাত্র নেতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য ও মানসিক সহায়তা প্রদানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি চালু করেছে। শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে Counselling সেন্টারগুলোতে অতিরিক্ত সেশন আয়োজন করা হয়েছে।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর বসুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও মানসিক সুস্থতার জন্য তারকে হাসপাতালের বিশেষায়িত ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো সঠিক মানসিক সহায়তা পেলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রোগী | মেঘমল্লার বসু |
| পদ | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি |
| ঘটনা | আত্মহত্যার চেষ্টা |
| হাসপাতাল | সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল |
| ভর্তি সময় | শুক্রবার দুপুর |
| অবস্থা | স্থিতিশীল, চিকিৎসাধীন |
| দায়িত্বপ্রাপ্ত | জাবির আহমেদ জুবেল (বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী সাধারণ সম্পাদক) |
| পরবর্তী ব্যবস্থা | মানসিক মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ, Counselling সেশন বৃদ্ধি |
বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনগুলো এ ধরনের ঘটনায় সতর্কতা অবলম্বন এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।