খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১৮ লাখ টাকার সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ প্রসাধনী জব্দ করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যা বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও রাজস্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
শাহ আমানত কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের (বিজি-১২৮) আবুধাবি থেকে আগত ফ্লাইটের তিন যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় মোট ৯৩০ কার্টন সিগারেট এবং ৬০ পিস ‘গৌরী ক্রিম’ নামের আমদানি নিষিদ্ধ প্রসাধনী জব্দ করা হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, আটক যাত্রীরা কুমিল্লার দেবিদ্বা উপজেলার বাসিন্দা। অভিযান শেষে তাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিমানবন্দরে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ও লাগেজ তল্লাশির মাধ্যমে নিয়মিতভাবে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অভিযান তারিখ ও সময় | ৩ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১:৪৫ মিনিট |
| বিমান | বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস (বিজি-১২৮), আবুধাবি থেকে আগত |
| আটক যাত্রী | তিনজন, কুমিল্লার দেবিদ্বা থেকে আগত |
| জব্দকৃত সিগারেট | ৯৩০ কার্টন |
| জব্দকৃত প্রসাধনী | ৬০ পিস ‘গৌরী ক্রিম’ (আমদানি নিষিদ্ধ) |
| মোট মূল্য | প্রায় ১৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা |
| অভিযানকারী সংস্থা | শাহ আমানত কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স |
| প্রতিক্রিয়া | আটক যাত্রীদের মৌখিক সতর্ক ও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে |
| উদ্দেশ্য | আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ ও রাজস্ব রক্ষা |
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ধরনের অভিযান রাজস্ব রক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশি ও নজরদারির মাধ্যমে অবৈধ পণ্যের প্রবেশ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে সিগারেট ও প্রসাধনী জাতীয় পণ্যে রাজস্ব ফাঁকি দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিযানটি শুধু আটক ও জব্দে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট তত্ত্বাবধান বৃদ্ধি এবং অবৈধ পণ্যের প্রবেশের বিরুদ্ধে সতর্কতার বার্তা বহন করছে।
শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের প্রবেশ রোধ, রাজস্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা সম্ভব।