খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
অভিযোগগুলো হলো—উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূলের নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা; এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা।
এই মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনজনের মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান বর্তমানে পলাতক এবং তারা দুজনই ভারতে অবস্থান করছেন।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারেরও কথা রয়েছে। গণ-অভ্যুত্থয়ের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলা, যার আজ রায় দেওয়া হবে।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করবেন। অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে গতকাল রবিবার এক ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগ তাঁরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে ট্রাইব্যুনাল যা-ই সিদ্ধান্ত দিক, প্রসিকিউশন তা মেনে নেবে।
তিনি আরও বলেন, রায়ের যে অংশ ট্রাইব্যুনাল পড়ে শোনাবেন, তা অনুমতি সাপেক্ষে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারির জন্য ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করেছিল বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)।
প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার জানান, যদি রায়ে ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে শাস্তি প্রদান করেন, তাহলে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘কনভিকশন ওয়ারেন্ট’ জারির আবেদন করা হবে তাঁর বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য।
খবরওয়ালা/টিএসএন