খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভারতের উত্তর প্রদেশের সেহরাপুর উত্তর থানার আওতায় একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। সমুচা আনতে ব্যর্থ হওয়ায় শিবম নামের এক স্বামীকে তার স্ত্রী সঙ্গীতা মারধরের অভিযোগ করেছেন। শুধু তাই নয়, শিবমের পরিবারের অন্যান্য চার সদস্যও হত্যার হুমকির শিকার হচ্ছেন।
অভিযুক্ত স্ত্রীর ভয়ে দিন পার করছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে থানায় পৌঁছেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবমকে সমুচা আনতে বলেন তার স্ত্রী। তিনি তা আনতে ব্যর্থ হওয়ায় স্ত্রীর সঙ্গে তুমুল ঝগড়া শুরু হয়। পরের দিন পঞ্চায়েতে সালিশ ডেকে তার মা-বাবা ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে শিবমকে মারধর শুরু করেন সঙ্গীতা। অভিযুক্তের আত্মীয়স্বজনরাও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হন। আহতদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে লাঞ্ছিত হন শিবমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও।
সেহরাপুর উত্তর থানার পুলিশ জানিয়েছে, আনন্দপুরের বাসিন্দা শিবমকে তার স্ত্রী সঙ্গীতা পঞ্চায়েত চলাকালীন মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সঙ্গীতার বাবা-মা উষা ও রামলাদাই, মামা রামোতর এবং প্রাক্তন গ্রামপ্রধান অবধেশ শর্মা।
পুরানপুর সার্কেল অফিসার প্রতীক দাহিয়া জানান, শিবমের মা বিজয় কুমারী বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) প্রাসঙ্গিক ধারায় হত্যার চেষ্টাসহ একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩০ আগস্ট সঙ্গীতা তার স্বামীকে সমুচা আনতে বলেন এবং এ নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে পরের দিন তিনি তার পরিবারকে পঞ্চায়েতে ডাকেন। ৩১ আগস্ট পঞ্চায়েত চলাকালীন ঘটেছে মারধরের ঘটনা।
ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভুক্তভোগী এবং তার পরিবারের সদস্যরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও তদন্ত চলছে।
খবরওয়ালা/শরিফ