কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। আটক ব্যক্তির নাম সজিব বেপারী। তিনি কক্সবাজারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির-৮ এলাকায় কর্মরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একজন সদস্য। তাঁর বাড়ি ঢাকার ধামরাই এলাকায় বলে জানা গেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা এলাকার বিজিবি চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ত্রিশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম চলাকালে সন্দেহভাজন অবস্থায় থাকা ওই পুলিশ সদস্যকে থামিয়ে তল্লাশি করেন। তল্লাশির সময় তাঁর কাছ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঘটনার পরপরই তাঁকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য পরবর্তী সময়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ত্রিশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
অন্যদিকে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে প্রাথমিক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কনস্টেবল সজিব বেপারী বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। তিনি কীভাবে মাদক পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার সারসংক্ষেপ নিচের সারণিতে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয়বস্তু |
তথ্য |
| ঘটনা |
ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল আটক |
| স্থান |
রামু উপজেলা, খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, মরিচ্যা চেকপোস্ট |
| সময় |
শুক্রবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টা |
| আটক ব্যক্তি |
সজিব বেপারী |
| কর্মস্থল |
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির-৮ |
| স্থায়ী ঠিকানা |
ধামরাই, ঢাকা |
| উদ্ধারকৃত ইয়াবা |
২০ হাজার পিস |
| অভিযান পরিচালনাকারী |
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, ত্রিশ ব্যাটালিয়ন |
| বর্তমান অবস্থা |
জিজ্ঞাসাবাদ চলমান |
চেকপোস্ট এলাকায় এ ধরনের অভিযান সাধারণত সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়ে থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চলাচল ও পরিবহন সামগ্রী পরীক্ষা করে থাকে, যাতে অবৈধ মাদকদ্রব্য দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ বা পরিবহন না করতে পারে।
আটকের পর ঘটনাটি প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে।