খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 18শে আষাঢ় ১৪৩২ | ২ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সিলেটের জেলা প্রশাসকের অপসারণ, পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়াসহ ৫ দফা দাবিতে শনিবার (৫ জুলাই) থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তারা সরকারকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম দিয়ে হুঁশিয়ার করেছে—সময়সীমার মধ্যে সাড়া না মিললে ৫ জুলাই (শনিবার) থেকে সিলেট জেলায় শুরু হবে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট।
বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে সিলেটের কোর্ট পয়েন্টে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, পেশাজীবী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে থাকারও অঙ্গীকার করেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শ্রমিক-মালিকদের দাবিগুলো একেবারেই ন্যায্য ও যৌক্তিক। সরকার যদি দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে সিলেটের অর্থনীতি থমকে যাবে।’
তিনি জেলা প্রশাসকের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘সরকারকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি। কিন্তু সিলেটের জেলা প্রশাসকের একতরফা কার্যকলাপে আমার সন্দেহ হচ্ছে, তিনি সাবোটাজ করছেন কি না। কারণ, কারো সঙ্গে আলোচনা না করেই তিনি সিলেটবাসীর স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।’
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির নামে চালানো অভিযান শ্রমিক ও মালিকদের বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তারা বলেন, এসব অনিয়ম বন্ধ না হলে পরিবহন ধর্মঘট অনির্দিষ্টকালের জন্যও ডাকা হতে পারে। এর দায় সরকারকে নিতে হবে।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বন্ধ থাকা পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়া, ক্রাশার মেশিন ধ্বংসের অভিযান বন্ধ করা, পাথর পরিবহনকারী ট্রাক আটকের অবসান, চালকদের হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ করা এবং সিলেটের জেলা প্রশাসকের অপসারণ।
খবরওয়ালা/এসআর