খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
গ্ল্যামার জগতের অন্ধকার দিক কাস্টিং কাউচের শিকার হননি এমন উঠতি তারকা খুঁজে পাওয়া কঠিন। কাজের সুযোগের নাম করে যৌন সুবিধা চাওয়ার এই অনৈতিক প্রবণতা শুধু বলিউডেই নয়, টলিউডেও গভীরভাবে বিদ্যমান। তবে কেবল নতুন অভিনেত্রীরা নন, প্রথম সারির অভিনেত্রীদেরও এ থেকে মুক্তি মেলে না, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলেন ওপার বাংলার পরিচিত মুখ পায়েল সরকার।
এক সময় টলিউডের সবচেয়ে সফল অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পায়েল। দেবের সঙ্গে তার রোমান্স ছিল টলিউডের সবচেয়ে হিট জুটি। তাদের একাধিক সিনেমা বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু সম্প্রতি, পায়েল সরকার এক পডকাস্টে তার জীবন ও ক্যারিয়ারের অন্ধকার দিক নিয়ে কথা বলেছেন। বিশেষ করে, কাস্টিং কাউচের শিকার হওয়ার এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন তিনি।
তিনি জানান, এক প্রযোজক তার কাছ থেকে সরাসরি যৌন সুবিধা দাবি করেছিলেন। “স্ট্রেট আপ উইথ শ্রী” নামক পডকাস্টের একটি আসন্ন এপিসোডে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পায়েল বলেন, “আমাদের ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রযোজক আমার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন।” এই সময় সঞ্চালিকা জানতে চান, “যৌন সুবিধা?” পায়েল কোনো রাখঢাক না রেখেই বলেন, “হ্যাঁ, সেটাই।”
এই ঘটনা তাকে প্রচন্ড মানসিকভাবে আঘাত করেছিল, কিন্তু এর পরে তার ক্যারিয়ারও ছিল টানাপোড়েনের। পায়েল আরও বলেন, “যখন আমার ক্যারিয়ারে একটি কঠিন সময় আসছিল, তখন ওই প্রযোজক আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা খারাপ কথা লিখতেন, এমনকি আমার ছবিতে ‘ক্রস ক্রস’ চিহ্ন দিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন। তিনি একদম পাগল হয়ে গিয়েছিলেন।”
এখন পায়েল তার ক্যারিয়ার ফিরে পেয়ে বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, “ফ্লপ ছবির পর আমি অনেকটা ভেঙে পড়েছিলাম। কিন্তু তারপর আমি কামব্যাক করলাম। ‘প্রেম আমার’ এবং ‘লে ছক্কা’ ছিল আমার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস। এক বছরের ব্যবধানে আমি দুটো ছবির শুটিং করেছিলাম।”