খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 22শে পৌষ ১৪৩২ | ৫ই জানুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
জেমস ক্যামেরনের জাদুর ছোঁয়া আবারও চলচ্চিত্র প্রেমীদের মন জয় করল। মুক্তির মাত্র ১৭ দিনে বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ (Avatar: Fire and Ash)। ২০২৬ সালের শুরুতেই হলিউডে এই সিনেমাটি দর্শক ও ব্যবসায়িক উভয় দিকেই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।
ট্র্যাকিং সাইটগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় এখন প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকা থেকে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার, এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৭৭৭ মিলিয়ন ডলার উপার্জিত হয়েছে।
| বাজার | আয় (মিলিয়ন ডলার) | ভাগ (%) |
|---|---|---|
| উত্তর আমেরিকা | 306 | 28.3% |
| আন্তর্জাতিক | 777 | 71.7% |
| মোট | 1083 | 100% |
এই সাফল্যের সঙ্গে জেমস ক্যামেরন নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। তিনি এখন বিশ্বের প্রথম পরিচালক যিনি চারটি ভিন্ন সিনেমা—‘টাইটানিক’, ‘অ্যাভাটার ১’, ‘অ্যাভাটার ২’, এবং ‘অ্যাভাটার ৩’—বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করতে সক্ষম হয়েছেন।
সিনেমাটির জনপ্রিয়তার কারণ:
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন এক দিক এবং সেখানে বসবাসকারী ‘অ্যাশ পিপল’ বা ছাই মানুষের রহস্যময় জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি। আগের কিস্তির তুলনায় এটি আরও গাঢ়, অন্ধকারময় এবং ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সমৃদ্ধ হওয়ায় দর্শকরা মুগ্ধ হয়েছেন। বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ভারতের বাজারে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করেছে।
বক্স অফিসে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলা:
উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে তিন সপ্তাহ ধরে এক নম্বর অবস্থান ধরে রাখছে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। চলতি বছরের শুরুতে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা না থাকায় এটি পুরোপুরি নিজের দখলে রাখতে পেরেছে। আইম্যাক্স (IMAX) এবং থ্রিডি স্ক্রিন থেকে উপার্জনের একটি বড় অংশ এসেছে, যা ছবির আয়কে আরও বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভিজ্যুয়াল এফেক্ট এবং 3D অভিজ্ঞতার কারণে এই সিনেমার দর্শকপ্রিয়তা এখনো অনেক দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকতে পারে। এই ধারায় ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নতুন রূপান্তর ও বক্স অফিসে চিরস্থায়ী রেকর্ড গঠনের পথে এগিয়ে চলেছে।