খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: বিসিএস সংস্কারে সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। সেখানে বিসিএস পরীক্ষা ও পদায়নের একটি রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি নম্বর পুনর্বণ্টন, তিনটি পূর্ণ কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়। শনিবার ছয় সংস্কার কমিশনের বিষয়টি প্রকাশ হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে। সেখানে উঠে আসে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের তিনটি পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠনের সুপারিশ এর বিষয়টি।
চেয়ারম্যানসহ ৮ জন সদস্য রাখার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিটি কমিশনে। পরীক্ষার মাধ্যমে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (সাধারণ), সকল সার্ভিসে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হবে। অন্যদিকে রয়েছে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (শিক্ষা) ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন (স্বাস্থ্য)। এই কমিশন দুটো শুধুমাত্র শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সার্ভিসের জনবল নিয়ে কাজ করবে।
তাছাড়া , জনপ্রশাসনে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা/আইন প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে যাতে সহজেই এটি পরিবর্তন করার সুযোগ না থাকে। প্রতিবেদনে একটি পরীক্ষা ও পদায়নের রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে। এতে জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পিএসসির পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। যার ফল প্রকাশ পাবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে, লিখিত পরীক্ষা জুন মাসের দ্বিতীয়ার্ধে, পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা হবে পরবর্তী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত। ফল প্রকাশ হবে এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ছাড়পত্র মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে হবে। জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নিয়োগের আদেশ গেজেটে প্রকাশ হবে এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ের এক তারিখে তারা যোগদান করবেন।
পরীক্ষা নিয়ে ৬টি আবশ্যক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার কথা উল্লেখ করা হয় এতে। বাংলা রচনা ১০০ নম্বর, ইংরেজি রচনা ১০০ নম্বর, ইংরেজি কম্পোজিশন এবং প্রেসি ১০০ নম্বর, বাংলাদেশের সংবিধান, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ১০০ নম্বর, আন্তর্জাতিক ও চলতি বিষয়াবলী ১০০ নম্বর, সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজ ও পরিবেশ এবং ভূগোল ১০০ নম্বর। তবে মৌলিক বিষয়ের মধ্যে সুপারিশে রাখা হয়নি গণিত।
পাশাপাশি বিসিএস মূল লিখিত পরীক্ষায় আবশ্যক বিষয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পঠিত কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ভৌত বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং আইন ইত্যাদি গুচ্ছ হতে ৬টি ঐচ্ছিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তবে কোনো গুচ্ছ হতে দু’টির বেশি বিষয় নির্বাচন করা যাবে না। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের ন্যূনতম নম্বর ৬০ শতাংশ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
খবরওয়ালা/এসএফ