মুর্শেদ জামান
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
তোমাকে রিট করতে পারছি না
না-পড়তে পারা অনেক কিছুই থাকে
না-বলেও ঘটে কিছু
তার পিছু পিছু লেগে থাকে যদি দীর্ঘশ্বাস
যাতনার আশ্বাস
বাম পাশে কাত নির্ঘুম ডান হাত
শ্বাসপ্রশ্বাস
ঋতু বদলের দিনও পাশাপাশি ক্ষীণ
রোদ মেখে হাঁটা
কাটা বিচুলিতে কুয়াশার ফিতে
থেমে যায় পা’টা
খুব খুশিমনে নেমে পাটাতনে
ডিঙিনৌকার
নিমকালো দিনে সুন্দরবনে
অবসন্নতার
হরিণের চোখ দেখার অসুখ
ঝিম ধরে টলুক
হ’য়ে যাওয়া লালে ঘেমে যাওয়া গালে
বাড়ে ধুকপুক
ঝুলে থাকে জলে বড় বটশিরা
স্নায়ুজাল ফেলে
পানির ওপরে না ডুবেও চলে
মাকরের পাও
ভেতরে গুমরে ওঠা পাশাপাশি বসে দেখা
রাতারগুলও
ডুবো সূর্যালোক
১.
ততটা দূর না তা, কাছ থেকে দুলছে ওই
অহমভর্তি তোমার সাদা ওড়নাটায়
বাহারি এক চুড়িদার অবসন্নতাই
ছড়িয়ে দুলছে আপন কোন মগ্নতায়
অতটা নয়তো সহজ তুমি সামলে নাও
যতটা অগ্নিদহন কোন ক্ষিপ্রতার
নীরবে ঢেউয়ে যেমন কোনো ডিঙানাও
গোপনে দীর্ঘ আঘাত সয়ে চলছে ফের
যেখানে রাস্তা মুখেই জ্বলে মগ্নমুখ
হাওরে স্বচ্ছ জলেই ডুবো সূর্যালোক
পীড়িত পত্রবিহীন ছায়া দীর্ঘকায়
তোমাকে এমনি সময় দেখি নৌকাটায়
ভেতরে আঁতকে উঠেই যেন মারল ডুব
শিকারি রাঙা পাখির পেল মৎস্য-লোভ
তখনো রক্তক্ষরণ বুকে যন্ত্রণার
গোধূলি মাঝবরাবর যেন টিপটি তার
বাতাসে ঝাঁক ধরে বকসারি যাচ্ছে কই
আমি সে অস্তলোকের থালে সাক্ষী হই