খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: রবিবার, ৪ মে ২০২৫
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের একই ব্যাচের চার শিক্ষার্থী ইউরোপীয় ইউনিয়নের মর্যাদাপূর্ণ ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপে নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত চারজনই ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ ব্যাচের ছাত্র। তারা হলেন, সাইফুল ইসলাম, সুজিত কর্মকার, মো. রাইন হাসান চৌধুরী ও মো. মুশফিকুল ইসলাম।
ইরাসমাস মুন্ডাসের ‘ম্যানুফ্যাকচারিং ৪.০ বাই ইন্টেলিজেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবল টেকনোলজিস (মেটা ৪.০)’ প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন সুজিত কর্মকার। সামাজিক, আর্থিক, নানা বাধাই তাঁকে অতিক্রম করতে হয়েছে।
সুজিত বলেন, ‘খবরটা জানার পর বেশ খুশি লাগছিল। তবে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছিলাম। কিছুটা সময় নিয়েছিলাম পুরো বিষয়টা বোঝার জন্য।’
এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম ‘মেমব্রেন ইঞ্জিনিয়ারিং ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (মাস্টার এমইএসডি)’ প্রোগ্রাম, মুশফিকুল ইসলাম ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারিটি ইন ম্যাটেরিয়ালস ফর এনার্জি স্টোরেজ অ্যান্ড কনভারসন (আই-এমইএসসি)’ প্রোগ্রাম এবং রাইন হাসান চৌধুরী ‘ন্যানো ম্যাটেরিয়ালস ফর গ্রিন অ্যান্ড ডিজিটাল ট্রানজিশন’ প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
ইরাসমাস মুন্ডাস বৃত্তির নিয়ম অনুযায়ী, ইউরোপের একাধিক দেশ ঘুরে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয় স্নাতকোত্তরের জন্য। অতএব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীই একেক সেমিস্টার সম্পন্ন করবেন ইউরোপের একেক দেশে, একেক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে।
চার শিক্ষার্থী একই বিষয়ে স্নাতক করলেও তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আলাদা। কেউ মাস্টার্স শেষে ভিনদেশে পিএইচডি করতে চান, কেউ শিক্ষকতায় আসতে চান, কেউ আবার নিজের দক্ষতাকে দেশ ও বিশ্বের উন্নয়নে কাজে লাগাতে চান। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মো. রাইন হাসান চৌধুরী বলছিলেন, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্টিস্টরা ভবিষ্যৎ তৈরি করে। সেই সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরিতে আমি ছোট একজন কারিগর হতে চাই।
খবরওয়ালা/এমইউ