খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিক-কর্মচারীরা ‘এক করপোরেশন এক স্কেল’ বাস্তবায়ন ও কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ চালুর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গেট মিটিং করেছেন।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকাল ৯টায় কারখানার গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আক্তার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ।
এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার বলেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, যা দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রেখেছে। অথচ বছরের বেশিরভাগ সময় কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে আমদানি নির্ভরতা বাড়াতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সার কারখানাটি এখন ধ্বংসের পথে। কারখানারটি সঙ্গে মিসরে দুটি সার কারখানা তৈরি করা হয়েছিল। তারা ১৬০০ টন থেকে উৎপাদন বাড়িয়ে ২২০০ টনে নিয়ে গেছে। অথচ শুধু গ্যাস সংযোগের অভাবে আশুগঞ্জ সার কারখানাটি বন্ধ রয়েছে।
এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদ বলেন, একই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা দুই ধরনের বেতন স্কেল পাবে তা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানার অপারেটর ও টেকনিশিয়ানরা এখনো মজুরি স্কেলে বেতন পাচ্ছে। অথচ অন্যান্য শ্রমিকদের পে-কমিশনের আওতায় বেতন হচ্ছে, যা চরম বৈষম্য।
এ সময় পে-কমিশনভুক্ত শ্রমিকদের মতো জাতীয় মজুরি কমিশনভুক্তদের ১৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত কারখানায় গ্যাস সংযোগ চালু করে সার উৎপাদন শুরু করার দাবি জানানো হয়।
দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সার কারখানা চত্বরে প্রদক্ষিণ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন।
খবরওয়ালা/এমইউ