খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে ৪১ হাজার ৬২৭ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। অথচ বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদ দেখানো হয়েছিল এক লাখ ৪২টি। ফলে ৫৮ হাজার ৪১৫টি পদ শূন্য রয়ে গেল।
এতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলমান শিক্ষক সংকট কাটছে না। যেহেতু এনটিআরসিএর সুপারিশ ছাড়া নিয়োগ দেওয়া যায় না, অনেক প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষক স্বল্পতা থেকেই যাবে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। সংস্থাটি জানায়, শুরুতে শূন্যপদ ছিল এক লাখ ৮২২টি; পরে ৭৮০টি চাহিদা বাতিল হয়ে তা দাঁড়ায় এক লাখ ৪২টি। এসব পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৫৭ হাজার ৮৪০টি। যাচাই-বাছাই শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ৪১ হাজার ৬২৭ জনের নাম সুপারিশ করা হয়েছে। বাকিগুলোতে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় পদ শূন্য রাখা হয়েছে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী সুপারিশের চেষ্টা করেছি। কিন্তু অনেকে নিবন্ধন সনদে উল্লেখিত পদ বা বিষয়ের বাইরে আবেদন করেছেন, অনেকে পছন্দক্রমে দেওয়া প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ না থাকায় বাদ পড়েছেন। তাই এতগুলো পদ শূন্য থাকছে।”
তিনি আরও জানান, দ্রুত এসব শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে বর্তমান শূন্যপদগুলোসহ নতুন শূন্য হওয়া পদেও নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষক সংকট দূর করতে এনটিআরসিএ কাজ করে যাবে।
খবরওয়ালা/এন