খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নুরকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর এমন বর্বর হামলা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ঘটেনি, যা এই সরকারের আমলে ঘটেছে। এর দায়-দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ চলে।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। তবে তাদের উপস্থিতিতেও থেমে থেমে সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। এক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় মারাত্মক আহত হন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল হক নুর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, জাপার কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে গণঅধিকার পরিষদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে ‘মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।’
উল্লেখ্য, কাকরাইল এলাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ উভয় দলের কার্যালয় রয়েছে। সংঘর্ষের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নুরের কর্মীদের পল্টনের দিকে ধাওয়া দিলে অপর প্রান্তে নুর তার কর্মীদের নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এসময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার এক পর্যায়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে লাঠিপেটা চালায়, যাতে নুরসহ অনেকে আহত হন।
খবরওয়ালা/শরিফ