অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ১৭ দিন ধরে অনশন চালানো এক তরুণীর দাবি শেষ পর্যন্ত কাবিনের টাকা দিয়ে সমাধান হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কমলনগর উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের জাজিরা এলাকায় মুসা ব্যাপারীর বাড়িতে।
স্থানীয়রা জানান, ২০২২ সালে কমলনগরের চরফলকন ইউনিয়নের জাজিরা এলাকার মুসা ব্যাপারীর বাড়ির মো. হাকিমের ছেলে আবুল কালামের (কালু) সঙ্গে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট এলাকার এক তরুণীর গোপনে বিয়ে হয়। তাদের প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের এক বছর আগে থেকে গড়ে উঠেছিল।
বিয়ের পর তারা চট্টগ্রাম শহরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে কিছুদিন আগে কালু গোপনে গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চলে আসেন এবং তার ব্যবহৃত ফোন বন্ধ করে রাখেন।
কিছুদিন পর তরুণী ফেসবুকে দেখতে পান, কালু নতুন বিয়ে করেছেন এবং বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে কালুর বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে তিনি কমলনগরে এসে অনশন শুরু করেন। ২ অক্টোবর থেকে ১৭ দিন ধরে তিনি স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন চালান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সমাধানের উদ্যোগ নেন। রোববার সকালে উভয়পক্ষসহ এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেনমোহর বাবত দিয়ে সমাধান করা হয়।
চরফলকন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল মেম্বার বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য আমি কালুর পরিবার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করেছি এবং তরুণীকে বুঝিয়ে দিয়েছি। তাদের মধ্যে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে।
তরুণী জানান, কাবিনের ৩ লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পেয়েছি। আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। এখন আমি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নিজ বাড়িতে যাচ্ছি।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি সমাধান করেছেন বলে আমাকে জানানো হয়েছে।
খবরওয়ালা/শরিফ