খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 18শে কার্তিক ১৪৩২ | ২ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সঞ্চয়ের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে প্রাইজবন্ড দীর্ঘদিন ধরে মধ্যবিত্তসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয়। মাত্র ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা জেতার সুযোগ থাকায় এটি অনেকের কাছে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ের অন্যতম স্মার্ট উপায় এটি।
সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে সরকার ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ চালু করে।
এটি যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। এর ১২১তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে আজ রবিবার সকাল ১১টায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে।
গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাইজবন্ডের ড্র সিঙ্গেল কমন ড্র পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাইজবন্ডের প্রতিটি সিরিজে প্রতি ড্রয়ে ৬ লাখ টাকার একটি, ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার একটি, ১ লাখ টাকার দুটি, ৫০ হাজার টাকার দুটি এবং ১০ হাজার টাকার ৪০টি পুরস্কারসহ মোট ৪৬টি পুরস্কার নির্ধারিত রয়েছে।
আগামীকাল সোমবার (৩ নভেম্বর) দৈনিক গণমাধ্যমে ড্রয়ের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
জানা গেছে, ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে (বিক্রির তারিখ ধরে এবং ড্রয়ের দিন বাদ দিয়ে) যেসব প্রাইজবন্ড বিক্রি হয়েছে, সেগুলোই সংশ্লিষ্ট ড্রয়ের আওতায় আসবে। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডে পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে।
প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই এবং ৩১ অক্টোবর ড্র অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখ হিসেবে নির্ধারিত থাকে।
যদি নির্ধারিত দিনটি কোনো সরকারি ছুটির দিনে পড়ে, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ৩১ জুলাই ১০০ টাকার প্রাইজবন্ডের ১২০তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
খবরওয়ালা/টিএসএন