খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 4শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ১৮ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে পাঁচটি সাধারণ গ্রাহক-ভিত্তিক সেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সেবার মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র এবং প্রাইজবন্ড সম্পর্কিত লেনদেন, ত্রুটিপূর্ণ নোটের বিনিময়, পিএডি আদান-প্রদান এবং সরকারি চালান সংক্রান্ত ভাংতি টাকা প্রদান। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল সদর দফতর থেকে এ পরিবর্তন কার্যকর হবে, পরে ধাপে ধাপে ঢাকার বাইরে অন্যান্য শাখায়ও সেবা বন্ধ করা হবে।
তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে সাধারণ গ্রাহকরা এগুলো চালিয়ে নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সেবা নির্বিঘ্নে প্রদানের জন্য তদারকি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “৩০ নভেম্বর থেকে এসব রিটেইল সেবা বন্ধ হয়ে যাবে। বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে এবং শিগগিরই জনসাধারণকে বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে অবহিত করা হবে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো, ভবন আধুনিকায়ন এবং উন্নত ভল্ট সুবিধা তৈরি করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবন বিভিন্ন স্পর্শকাতর কার্যক্রম পরিচালনা করে, যেমন মুদ্রা ইস্যু, বিতরণ, ভল্ট কার্যক্রম এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা। অতিরিক্ত সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড বিক্রির মতো সেবা দেশের ৬০টির বেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে সহজেই দেওয়া সম্ভব। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেবা বন্ধ হলেও গ্রাহকের অসুবিধা খুব কম হবে। তবে পূর্বে ইস্যু করা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সেবা চালু থাকবে।