খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপপর্বের লড়াই শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। এবারের আসরটি বসছে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়, যেখানে ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান গ্রুপ ‘সি’—যেখানে প্রতিপক্ষ চারটি দেশ ভিন্ন ভিন্ন ক্রিকেট সংস্কৃতি ও সক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করে।
প্রথমেই বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ—যারা টি–টোয়েন্টির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দলগুলোর একটি। তাদের ব্যাটিং শক্তির বিপরীতে বাংলাদেশকে বোলিং-নির্ভর কৌশল সাজাতে হবে, বিশেষ করে স্পিন আক্রমণে সাফল্য পেলে ম্যাচের মোড় ঘোরানো সম্ভব। দ্বিতীয় ম্যাচে ইতালি, যারা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপীয় ক্রিকেটে দারুণ অগ্রগতি দেখিয়েছে। সুযোগ পেলেই যে কোনো খর্বশক্তির দল বড় দলের বিরুদ্ধে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে—এমন দৃষ্টান্ত আগেও আছে।
সবচেয়ে নজরকাড়া ম্যাচটি ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংল্যান্ডের টি–টোয়েন্টি দলে রয়েছে দারুণ ম্যাচউইনার—এদের মোকাবিলায় বাংলাদেশকে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ নেপাল; যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত না হলেও টি–টোয়েন্টির গতিময় ক্রিকেটে হঠাৎ চমক দেখাতে সক্ষম।
টুর্নামেন্ট কাঠামো অনুযায়ী প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল যাবে সুপার এইট–এ। সেখান থেকে চার দল উঠবে সেমিফাইনালে। ৪ ও ৫ মার্চ সেমিফাইনালের তারিখ নির্ধারিত, আর ৮ মার্চ হবে ফাইনাল। পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে ভেন্যু হবে কলম্বো; না হলে আহমেদাবাদ।
বাংলাদেশের গ্রুপপর্বের সময়সূচি স্পষ্ট করে দিয়েছে—প্রতিটি ম্যাচেই কৌশলগত এবং মানসিক প্রস্তুতি জরুরি। কলকাতায় তিনটি ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য কন্ডিশন পরিচিত হওয়ায় সুবিধা আনতে পারে, তবে শেষ ম্যাচে মুম্বাইয়ের উইকেট ভিন্ন ধরনের হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলোর সময়সূচি:
৭ ফেব্রুয়ারি – বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, কলকাতা, বেলা ৩:৩০
৯ ফেব্রুয়ারি – বনাম ইতালি, কলকাতা, বেলা ১১:৩০
১৪ ফেব্রুয়ারি – বনাম ইংল্যান্ড, কলকাতা, বেলা ৩:৩০
১৭ ফেব্রুয়ারি – বনাম নেপাল, মুম্বাই, সন্ধ্যা ৭:৩০