খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
নতুন পেঁয়াজ মাঠ থেকে বাজারে আসা শুরু করলেও পেঁয়াজের বাজার অস্থির রয়েছে। দেশে এক লাখ টনেরও বেশি পুরোনো পেঁয়াজ মজুত থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বৃদ্ধি করছে। তাদের লক্ষ্য সরকারের কাছে আমদানির অনুমতি পেতে চাপ সৃষ্টি করা নয়, বরং ভোক্তার পকেটে হাত দেওয়ার মাধ্যমে অতিরিক্ত লাভ অর্জন করা।
সাম্প্রতিক দুই দিনে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩০-৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকায় পৌঁছেছে। কাওরান বাজারে দেশি পেঁয়াজ ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। নয়াবাজারে বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকায়, আর রামপুরা কাঁচাবাজারে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা। অক্টোবরের শেষের দিকে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০ টাকা, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ৬০-৬৫ টাকা।
বাজারসংক্রান্তরা জানান, মুনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ আটকে রাখে। কৃষকরা আগের মৌসুমে ন্যায্য দাম না পেয়ে সব পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন, তাই তাদের হাতে এখন পেঁয়াজ নেই। সিন্ডিকেটরাই বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. জামাল উদ্দীন জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। সিন্ডিকেটের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, আড়তদার ও কমিশন এজেন্টরা পেঁয়াজ কিনে মজুত করছে এবং বাজারে ছাড়ছে না।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনও জানায়, কিছু মধ্যস্বত্বভোগী বাজার অস্থির করার পাঁয়তারা করছে। কমিশন সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করেছে। দেশের বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৯০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়, কিন্তু বর্তমানে ১১৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
খবরওয়ালা/এজে