খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 12শে ভাদ্র ১৪৩১ | ২৭ই আগস্ট ২০২৪ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে ২০১১ সালের জাফর মেম্বর হত্যার বাদীর পরিবারের উপর মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রায় ১ যুগ ধরে হামলা লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ, মারধরসহ অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে জাফর মেম্বার হত্যা মামলার আসামী আওয়ামী লীগের দলীয় সন্ত্রাসীরা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫/৮/২০২৪ তারিখে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আবারও জাফর হত্যা মামলার বাদীর পরিবারের উপর হামলা চালায়।
এই নিয়ে কুষ্টিয়া মিরপুর থানায় মৃত জাফর মেম্বরের স্ত্রী নাসরিন খাতুন বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।এজাহার ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ইকরামুল ইসলাম (৫০), মোশারফ (৬০),উত্ত পিতা-আমান উল্লার, সাং- নতুন ভেদামারী, আমবাড়ীয়া, হাসিবুর (৩০), পিতা- মৃত আনছার, সাং পুরাতন ভেদামারী, রিপন (২৮) পিতা- অজ্ঞাত, সাং, কারিগরপাড়া, ভেদামারী, রশিদ (৪৬), পিতা- মৃত রওশন, সাং- পুরাতন ভেদামারী,ওহিদ (৪৫), পিতা- মৃত মোবারক হোসেন, সহ পুরাতন ভেদামারী, ফেরদৌসী খাতুন (৫০) মোঃ ওহিদ, পুরাতন ভেদামারী, মারফত আলী(৪২), পিতা মকবুল হোসেন, সাং- পুরাতন ভেদামারী, আলম হোসেন (৪০) পিতা- মোঃ আবু-ছদ্দিন, সাং- পাঁচবাড়ীয়া, আমবাড়ীয়া, ফুরকান আলী(৩৫) পিতা- মো: আজেত আলী, সাং- নতুন ভেদামারী, আমবাড়ীয়া, কামারুল (৫৫) পিতা মৃত রওশন, সাং। পুরাতন ভেদামারী, হেলাল (৪৫) পিতা-মোঃ খলিল, সাং-নতুন ভেদামারী, থানা মিরপুর জেলা- কুষ্টিয়া গণসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনের সহযোগিতায় গত ২৩/০২/২০১১ ইং তারিখে অনুমান সন্ধা সাড়ে সাতটার দিকে ভেদামারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকট রাস্তার উপরে আমার স্বামী আবু জাফর (মেম্বারকে) ধারালো অস্ত্রদ্বারা কুপাইয়া হত্যা করায় আমি বাদী হইয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করি।

উক্ত মামলায় আসামীগণ বিজ্ঞ আদালত হইতে জামিনে মুক্তি পেয়ে গত ১৪ বছর তারিখ ও সময় আমাকে ও মামলার স্বাক্ষীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে মামলা উঠিয়ে নিয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর ধারাবাহিকতায় এবার দেশের পট পরিবর্তন হওয়ায় আবারও উপরোক্ত আসামীগণ সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র রামদা, লোহার রড, হাতুড়ী, হকস্টিক, হাতকুড়ল, সজ্জিত হয়ে আবার আমাদের বসত বাড়ীতে প্রবেশ করিয়া আমার নাম ধরিয়া অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ আসামীগণ আমার ঘরের মধ্যে থাকা আসবাবপত্র, টিভি, ফ্রিজ, দরজা-জানালা, টিনের বেড়া, টিনের চালা ভাংচুর করিয়া অনুমান তিন চার লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে।

এছাড়াও বিছানার নিচে থাকা ধান বিক্রয় এর নগদ প্রায় চার লাখ টাকা লুট করে । পাশে আমার ভাসুর সিরাজুল ইসলামের বসত ঘরে প্রবেশ করেও একই ধরনের লুটপাট, ভাংচুরসহ আমাদের কুপিয়ে মারাক্তক ভাবে আহত করে ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় এলাকাবাসীর এগিয়ে আসলে আসামীগন হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
আরও দেখুন: