গত বছরের ইতালিয়ান সুপার কাপে ইন্টার মিলানের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল নাপোলির। তবে এবার তারা আক্ষেপ ভুলে নতুন জয়ের স্বাদ…
আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (আফকান) ২০২৩-২৪-এর গ্রুপ ‘বি’ পর্বের প্রথম ম্যাচে ৩৫তম র্যাঙ্কের মিশর ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১২৯ নম্বরের জিম্বাবুয়ের সঙ্গে…
বিশ্ব ফুটবলের ডিসেম্বর মাসের ফিফা র্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়েছে, আর তাতে বাংলাদেশের জন্য বড় কোনো চমক নেই। জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল আগের মাসের মতোই ১৮০তম অবস্থানে রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এই স্থিরতা খুব সাধারণ মনে হলেও, র্যাঙ্কিংয়ের ভেতরের সংখ্যাগুলো খুঁটিয়ে দেখলে স্পষ্ট হয়—প্রতিযোগিতার ময়দানে একেবারেই স্বস্তির জায়গায় নেই বাংলাদেশ। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সোমবার সর্বশেষ র্যাঙ্কিং তালিকা প্রকাশ করে। গত ১৮ নভেম্বর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর কোনো ফিফা উইন্ডো না থাকায় অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অবস্থানেও বড় পরিবর্তন আসেনি। ম্যাচ না থাকায় র্যাঙ্কিং নম্বর একই থাকলেও, রেটিং পয়েন্টে এসেছে সামান্য অবনমন। নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৯১১.১৯, যা ডিসেম্বরে নেমে দাঁড়িয়েছে ৯১১.১০–এ। এই পার্থক্য খুবই ক্ষুদ্র হলেও, র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দিকের দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা যে কতটা তীব্র, সেটিই স্পষ্ট করে দেয়। কারণ বাংলাদেশের ঠিক এক ধাপ ওপরে থাকা ১৭৯তম স্থানে কম্বোডিয়ার পয়েন্ট ৯১১.৫৪—অর্থাৎ খুব সামান্য ব্যবধানেই অবস্থান বদলে যেতে পারে। নভেম্বর উইন্ডোর প্রভাব ও নেপাল ম্যাচের হিসাব নভেম্বর আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে বাংলাদেশের একটি ম্যাচ র্যাঙ্কিং আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগে নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। তবে ওই ম্যাচটি নভেম্বরের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর ফিফা ও এএফসি ডিসেম্বরের র্যাঙ্কিংয়ে সেটি সমন্বয়ের আশ্বাস দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ম্যাচের ফলাফল যুক্ত হওয়াতেই বাংলাদেশের পয়েন্টে এই সামান্য পরিবর্তন এসেছে। নেপালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা একটি ম্যাচে ড্র করায় পয়েন্টে লাভবান হয়েছে। যদিও অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায় তাদের উন্নতি দৃশ্যমান হয়নি। বাংলাদেশ ও আশপাশের দলের র্যাঙ্কিং ও পয়েন্ট (ডিসেম্বর) দেশ র্যাঙ্কিং নভেম্বর পয়েন্ট ডিসেম্বর পয়েন্ট কম্বোডিয়া ১৭৯ — ৯১১.৫৪ বাংলাদেশ ১৮০ ৯১১.১৯ ৯১১.১০…
চেলসি ও প্যারিস স্যাঁ-জার্মেই (পিএসজি) সহ আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্রাজিলিয়ান সেন্টার-ব্যাক থিয়াগো সিলভা ৪১ বছর বয়সে পুনরায় এফসি পোর্তোর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। পর্তুগিজ ক্লাবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ খবর জানানো হয়েছে। সিলভার যোগদানের মাধ্যমে পোর্তো তার প্রতিরক্ষা লাইনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে এবং অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের নেতৃত্বে ক্লাবের শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আশা করছে। সিলভা তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে খ্যাত। তিনি ব্রাজিলের ঘরোয়া ক্লাব ফ্লামিনেন্সে দুই বছর কাটানোর পর পোর্তেতে যোগ দিয়েছেন। তার পেশাদার ফুটবল জীবনের সূচনা হয়েছিল ২০০৪-০৫ মৌসুমে, যখন তিনি পোর্তো-বি দলের হয়ে খেলতেন। সময়ের পরিক্রমায় আবার সেই ক্লাবের মূল দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া তাকে এক ধরনের ‘পূর্ণচক্রের’ খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত করে। পোর্তো-বি দলে খেলার পর সিলভা ডিনামো মস্কো তে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। এরপর তিনি ফ্লামিনেন্সের সিনিয়র দলে সুযোগ পান। ব্রাজিল ছাড়ার পর ২০০৯ সালে তিনি এসি মিলান যোগ দেন, যেখানে সিরি-এ শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেন। ২০১২ সালে তিনি পিএসজি তে যুক্ত হয়ে সাতটি ফরাসি লিগ শিরোপা জয় করেন এবং দলকে জাতীয় ও ইউরোপীয় পর্যায়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেন। ২০২০ সালে ফরাসি ক্লাব ছাড়ার পর তিনি চেলসি তে যোগ দেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয় করে তিনি নিজেকে বিশ্ব ফুটবলের এক উজ্জ্বল কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা, নেতৃত্বের ক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দলের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য নিখুঁত মেন্টর হিসেবে বিবেচিত। সিলভার ক্যারিয়ারের সংগ্রহে এ পর্যন্ত ৩২টি শিরোপা অন্তর্ভুক্ত। এখন তিনি পোর্তেতে যোগ দিয়ে ক্লাবকে আরও এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বর্তমানে পোর্তো প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং পাঁচ পয়েন্টের সুবিধা নিয়ে এগিয়ে আছে। সিলভার অভিজ্ঞতা এবং প্রতিরক্ষার নেতৃত্ব ক্লাবের জন্য বিশেষ সহায়ক হতে পারে। থিয়াগো সিলভার সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ার টেবিল : মৌসুম / ক্লাব অর্জিত প্রধান শিরোপা ২০০৪-০৫, পোর্তো-বি – ডিনামো মস্কো – ফ্লামিনেন্স (সিনিয়র) – ২০০৯-২০১২, এসি মিলান সিরি-এ শিরোপা…
ওয়েস্ট হামের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৩-০ গোলের স্বস্তিদায়ক জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। স্কোরলাইন দেখলে মনে হতে পারে, সবকিছুই নিখুঁত ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এই জয়ের পরও দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে মোটেই সন্তুষ্ট নন সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। আর সেই অসন্তোষেরই সরাসরি প্রতিফলন দেখা গেল খেলোয়াড়দের বড়দিনের ছুটির সিদ্ধান্তে। নির্ধারিত বাড়তি ক্রিসমাস ছুটি বাতিল করে কড়া বার্তা দিলেন স্প্যানিশ এই মাস্টারমাইন্ড। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, শুধু জয় পেলেই চলবে না, ট্রফি জিততে হলে মাঠে পারফরম্যান্সের মান আরও অনেক উঁচুতে নিতে হবে। তাঁর মতে, ওয়েস্ট হামের বিপক্ষে জয় এলেও খেলায় ধারাবাহিকতা, গতি ও তীক্ষ্ণতার ঘাটতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আগেই পরিকল্পনা ছিল, ওয়েস্ট হাম ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের টানা তিন দিনের ছুটি দেওয়া হবে। কারণ ২৭ ডিসেম্বর নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ পর্যন্ত প্রায় এক সপ্তাহের বিরতি ছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ছুটি পেলেও, বড়দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর আবার অনুশীলনে ফেরার কথা ছিল দলটির। তবে খেলোয়াড়রা চাইছিলেন রবিবারও ছুটি পেতে, যাতে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানো যায়। ইংল্যান্ডের ফুটবলে ব্যস্ত সূচির মাঝে এই সময়টা খেলোয়াড়দের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু ওয়েস্ট হাম ম্যাচের পর সেই অনুরোধে সায় দেননি গার্দিওলা। ফলে রবিবারই সবাইকে সিটি ফুটবল একাডেমিতে রিপোর্ট করতে হয়, এরপর শুরু হয় সংক্ষিপ্ত ছুটি। গার্দিওলা বলেন,‘খেলোয়াড়রা রবিবার ছুটি চেয়েছিল, কিন্তু আমি না করেছি। কারণ আমরা যথেষ্ট ভালো খেলিনি। যারা ম্যাচ খেলেনি, তারা রিকভারি ও ট্রেনিং করবে। তিন দিনের ছুটির পর নটিংহাম ফরেস্ট ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য আমাদের হাতে থাকবে মাত্র দুই দিন।’ তিনি আরও যোগ করেন,‘সূচির ওপর সবকিছু নির্ভর করে। ইংল্যান্ডে এসে আমি শিখেছি, যতটা সম্ভব ছুটি দেওয়া যায়, দেওয়া উচিত। কিন্তু সূচি খুব টাইট। খেলোয়াড়দের পরিবার নিয়ে সময় কাটানো এবং কিছু সময়ের জন্য ফুটবল ভুলে থাকার সুযোগও দরকার।’ শেষে গার্দিওলা বলেন,‘যখন ঠিক সময়ে মাঠে ফেরা যায়, তখন পা থাকে সতেজ। রিকভারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়রা পরিবার নিয়ে সময় কাটাবে, মানসিকভাবে রিফ্রেশ হবে। আর আমি আগের মতোই ওদের জন্য কাজ করে যাব, যেন আমরা আরও ভালো হতে পারি।’ গার্দিওলার এই সিদ্ধান্ত আবারও প্রমাণ করে, শৃঙ্খলা ও মানের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করেন না। জয় এলেও যদি মান অনুযায়ী পারফরম্যান্স না হয়, তবে তার মূল্য দিতে হয়—সে ছুটি বাতিলের মাধ্যমেই হোক। ম্যাচ ও সূচির সংক্ষিপ্ত তথ্য : বিষয় তথ্য ম্যাচ ম্যানচেস্টার সিটি বনাম ওয়েস্ট হাম ফলাফল ৩-০ গোল ভেন্যু সিটির ঘরের মাঠ বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর…
চার ম্যাচের টানা হারের হতাশা, সমালোচনার পাহাড় আর সমর্থকদের প্রশ্নবাণ—সবকিছুর মাঝেই অবশেষে স্বস্তির জয় পেলেন সেল্টিকের নতুন কোচ উইলফ্রিড ন্যান্সি।…
জার্মান বুন্দেসলিগায় হ্যারি কেইন একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন। এই মাসের শুরুতেই তিনি সবচেয়ে কম ম্যাচে ১০টি হ্যাটট্রিক করার অবিশ্বাস্য…
রোববার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য হতাশাজনক একটি রাত হয়ে গেল। ভিলা পার্কে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ২-১ গোলে…
কলকাতা:কলকাতা দিয়ে শুরু হয়ে হায়দরাবাদ, মুম্বাই হয়ে দিল্লি—গত সপ্তাহে ভারত সফর করেছিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। সঙ্গে ছিলেন দুই প্রাক্তন…
ফিফার বর্ষসেরা একাদশে (ফিফা বেস্ট ইলেভেন) রাফিনহার নাম না থাকাকে সরাসরি ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বার্সেলোনা কোচ হানসি ফ্লিক। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লা লিগা ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে কোনো প্রশ্নের অপেক্ষা না করেই তিনি এই ইস্যুতে নিজের তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। জার্মান এই কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট—রাফিনহার মতো একজন ধারাবাহিক ও প্রভাবশালী ফুটবলারের এমন উপেক্ষা তিনি মানতে পারছেন না। গত মৌসুমে বার্সেলোনার জার্সিতে রাফিনহা ছিলেন কার্যত অপ্রতিরোধ্য। ২৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেছেন ৩৪ গোল এবং ২৬টি অ্যাসিস্ট। শুধু পরিসংখ্যানেই নয়, বড় ম্যাচে দায়িত্ব নেওয়া, দলের আক্রমণে গতি আনা এবং চাপের মুহূর্তে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। রাফিনহার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই বার্সেলোনা জেতে লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপারকোপা—অর্থাৎ একটি ঘরোয়া ট্রেবল। পাশাপাশি, ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালেও জায়গা করে নেয় কাতালান ক্লাবটি। এত কিছুর পরও গত মঙ্গলবার প্রকাশিত ফিফার বেস্ট ইলেভেনে জায়গা হয়নি রাফিনহার। তার পরিবর্তে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ওসমান দেম্বেলে, কোল পালমার, জুড বেলিংহ্যাম এবং বার্সেলোনারই আরেক তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে ফ্লিক বলেন,“আপনারা আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেননি, কিন্তু আমি নিজে থেকেই বলতে চাই। সাধারণত এসব পুরস্কার নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। কিন্তু ফিফার এই বেস্ট ইলেভেন সত্যিই হাস্যকর। রাফিনহার নাম না দেখে আমি অবাক হয়ে গেছি।” ফিফার বেস্ট ইলেভেন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোট দেন জাতীয় দলের কোচ ও অধিনায়করা, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক এবং বিশ্বজুড়ে সমর্থকেরা। এবারের একাদশে গোলরক্ষক হিসেবে আছেন জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা। রক্ষণ ও মিডফিল্ডে জায়গা পেয়েছেন আশরাফ হাকিমি, উইলিয়ান পাচো, ভার্জিল ফন ডাইক, নুনো মেন্দেস, ভিতিনিয়া ও পেদ্রি। সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো—ভোটের হিসাবে রাফিনহার প্রাপ্ত পয়েন্ট মাত্র ১২, যা আর্লিং হলান্ড ও কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়েও কম। এই পরিসংখ্যানই ফ্লিকের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফ্লিক বলেন,“আমার চোখে এই দলে রাফিনহাই ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়। চ্যাম্পিয়নস লিগে তার গোল অবদান ছিল ২২টি, যা পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ। সে যেভাবে খেলেছে, যত গোল ও অ্যাসিস্ট করেছে—সবই ছিল অবিশ্বাস্য। এটা তার প্রতি মোটেও ন্যায্য নয়।” রাফিনহার গত মৌসুমের পারফরম্যান্স (সংক্ষেপে) সূচক সংখ্যা মোট গোল ৩৪ মোট অ্যাসিস্ট ২৬ চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল অবদান ২২ জেতা ট্রফি লা লিগা, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপারকোপা চোটের কারণে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত নয়টি ম্যাচ খেলতে পারেননি রাফিনহা। তবে নভেম্বরের শেষ দিকে মাঠে ফেরার পর শেষ চার ম্যাচের তিনটিতেই গোল করে নিজের ফর্মের জানান দিয়েছেন তিনি। রোববার লা লিগায় তৃতীয় স্থানে থাকা ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে বার্সেলোনার আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা এই ব্রাজিলিয়ানেরই।…