দক্ষিণ এশিয়ার বহুপাক্ষিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে ঘিরে সূচি ও আয়োজনের অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। এবারের বিষয়টিও কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভারত, যারা তাদের প্রভাব…
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ছত্রছায়ায় পেশাদার ‘শ্যুটার’দের একের পর এক হত্যাকাণ্ড জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,…
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনের…
বাংলাদেশের গ্যাস খাত একটি অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, যেখানে দেশীয় উৎপাদন ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে। শিল্প, বসতবাড়ি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য…
খুলনার রূপসা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত যুবকের নাম…
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রীর নাম ফাতেমা আক্তার লিলি…
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক সহিংসতা, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং বিশেষভাবে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ…
আগামী জাতীয় গণভোটকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে এবং নাগরিক সমাজে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত আলোচনার তীব্রতা বেড়েছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, যদি ভোটাররা গণভোটে ‘না’ ভোট দেন, তাহলে ১৯৭২ সালের সংবিধানটি বহাল থাকবে, যা বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রণীত দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গণ্য। সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব অনুযায়ী, ভোটারদের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক কাঠামো, শাসন ব্যবস্থার ধরন এবং নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত মৌলিক কাঠামোতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। ‘না’ ভোট দিলে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার, নির্বাচনী ও বিচারিক কাঠামো একই থাকবে। অন্যদিকে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করলে প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হবে, যা সংবিধানের মৌলিক নীতি পরিবর্তনের পথ খুলে দেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ দেশের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। বিশেষ করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংরক্ষণ এবং নাগরিক অধিকার বজায় রাখার জন্য এই গণভোটকে গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা উল্লেখ করেছেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নকালে দেশ স্বাধীনতার পর প্রজাতন্ত্র হিসেবে রাজনৈতিক কাঠামো এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়। সংবিধানটি বাংলাদেশের প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও বিচার ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা সংরক্ষণের প্রাথমিক নথি। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সরাসরি ক্যাম্পেইন মাধ্যমে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের অর্থ এবং প্রভাব বোঝানো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে এবং নাগরিক সমাজে বিভিন্ন ধরনের মতামত শোনা যাচ্ছে। কেউ মনে করছেন, ‘না’ ভোটের মাধ্যমে সংবিধান বহাল রাখা পুরনো কাঠামোকে শক্তিশালী করবে। অন্যরা বলেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশের শাসন ও প্রশাসনে নবীনতা ও সমন্বয় আনতে পারা সম্ভব। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত এই গণভোটকে দেশের প্রজাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণভোটে প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম এবং তা দেশের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরিবিতর্কিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে ।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা গত শনিবার ক্যাম্পাসে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩টি বিভাগের ১,৩০৯টি আসনের…
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেওয়াল ভেঙে মসজিদের মধ্যে ঢুকে পড়ার বিপজ্জনক ঘটনা ঘটেছে।…