খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 15শে মাঘ ১৪৩০ | ২৮ই জানুয়ারি ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5
কনের বাড়ি থেকে বরের বাড়ির দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার। হেটে গেলে ৪৫ মিনিটের পথ। আর হেলিকপ্টারে চড়লে ৫ মিনিট। এতটুকু দূরত্বেই নববধূকে নিয়ে আসতে হেলিকপ্টারে চড়লেন কুয়েত প্রবাসী আল আমিন। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে দুই লাখ টাকা খরচ করে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন কুষ্টিয়ার এই যুবক। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে এসে পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রাম থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটে একই উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের গাংপাড়া খেলার মাঠে গিয়ে পৌঁছায়। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে কনের বাড়িতে যান বর। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে আবার হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। এ সময় বরের সঙ্গে ছিলেন বড় বোন ও বোনের স্বামী।বর আল আমিন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের আমিরুল ইসলামের কুয়েত প্রবাসী দ্বিতীয় ছেলে। আর কনে তানজুরা খাতুন (১৯)। তিনি উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের গাংপাড়া গ্রামের তাসের আলীর মেয়ে। এদিকে এমন আয়োজন গ্রামবাসীও বেশ উপভোগ করেছেন। এই অঞ্চলে এ ধরনের বিয়ে এটাই প্রথম। এর আগে কোনো দিন এ রকম রাজকীয় বিয়ে হয়নি। বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়ির দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার। এতটুকু রাস্তা হেঁটে যেতে সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট সময় লাগার কথা। কিন্তু বর এলেন হেলিকপ্টারে চড়ে। আর বিয়েতে বরযাত্রী গেছেন ১০০ জন। এদের মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে কনের বাড়িতে পাঠানো হয় ।

বরের বাবা আমিরুল ইসলাম বলেন তার স্ত্রীর শখ ছিল ছোট ছেলে আল আমিনকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করাবেন। তার ইচ্ছা পূরণ করতেই এই আয়োজন করেন। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার স্ত্রীর শখ পূরণ হয়েছে। বরের মা বলেন, শখের কারণে একটি ছেলে হওয়ায় মনের হয়েছিলো। তার ছেলের বৌ হেলিকপ্টারে আনবেন। ছেলের বউকে হেলিকপ্টারে আনতে পারে অনেক খুশী হয়েছি। বর আল আমিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে চাকুরী করছি। মায়ের শখ ছিল হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে যাব। মায়ের শখ পূরণ করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। কনে তানজুরা খাতুন বলেন, তার আশা না থাকলেও শাশুড়ীর ইচ্ছায় হেলিকপ্টারে চড়ে শ^শুর বাড়ীতে আসলেন। প্রতিবেশীরা বলছেন,গ্রামবাসীও বেশ উপভোগ করেছেন। কারণত এই অঞ্চলে এ ধরনের বিয়ে এটাই প্রথম। এর আগে কোনো দিন এ রকম রাজকীয় বিয়ে হয়নি।