খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 1শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ | ১৫ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গত নয় মাসে দেশের গণমাধ্যম অভূতপূর্ব স্বাধীনতা উপভোগ করছে। যদিও কিছু সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন, তবে সেটি মালিকদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত এবং আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ বলেই মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গণমাধ্যমের হালচাল’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি দেড় শতাধিক সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ‘এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। বিষয়টি ইতোমধ্যে সমাধানের পথে রয়েছে। খুব শিগগিরই কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং কেবল প্রকৃত সাংবাদিকরাই তা পাবেন।’
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে তিনি জানান, ‘গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে ২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু আসলে কারা অভিযুক্ত, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকার এ ধরনের মামলা করেনি, তদন্ত চলমান রয়েছে। কেউ অপরাধে জড়িত না হলে তাকে হেনস্তা করা হবে না। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ব্যতীত কোনো মামলা হয়রানির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে না।’
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংবাদিকদের আচরণ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন থাকা প্রয়োজন। সাংবাদিকের ব্যক্তিগত মতামত আর গণমাধ্যমের অবস্থান আলাদা করতে হবে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া বক্তব্য সাংবাদিকতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।’
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ‘সরকার চায় গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক এবং মত প্রকাশের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাক। তথ্য মন্ত্রণালয় বা প্রেস সচিবালয় কখনো স্বাধীন সংবাদ পরিবেশনায় বাধা দেয়নি। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মিডিয়া ফ্রিডম নিশ্চিত করতেই সরকার কাজ করছে।’
খবরওয়ালা/আরডি