খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 18শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
প্রতি বছর ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব নারিকেল দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্ম নেওয়া এই বহুমুখী ফল শুধু তৃষ্ণা নিবারণেই নয়, কৃষি, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
২০০৯ সালে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আন্তঃসরকারি সংস্থা এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি) উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। সংস্থার সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিলসহ ১৮টি নারিকেল উৎপাদনকারী দেশ বর্তমানে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো নারিকেলের বহুমুখী ব্যবহার প্রচার, কৃষকদের আর্থিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণে নারিকেল শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
গ্রামীণ জীবনে নারিকেল গাছকে ‘কল্পবৃক্ষ’ বলা হয়। নারিকেলের পানি, শাঁস, তেল, খোল, পাতা, এমনকি গাছের কাণ্ড পর্যন্ত কাজে লাগে। স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে নারিকেল পানি প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিঙ্ক হিসেবে পরিচিত। এছাড়া নারিকেল তেল ও শাঁস থেকে নানা খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চাষাবাদের পরিবর্তন নারিকেল শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তাই টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে নারিকেল চাষে উদ্বুদ্ধ করা এখন সময়ের দাবি।
খবরওয়ালা/টিএসএন