খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 17শে আষাঢ় ১৪৩২ | ১ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
রাষ্ট্রদ্রোহ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় দ্বিতীয় দফা চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ২২ জুন বিএনপির পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আসামি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গায়েবি মামলা, ভয়ভীতি, গণগ্রেপ্তার, গুম, অপহরণ ও হত্যা-নির্যাতনের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়।
সেই রাতে উত্তরা থেকে সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে বিক্ষুব্ধ জনতা আটক করে এবং তার বাসায় প্রবেশ করে হেনস্তা করে। ওই সময় সামাজিক মাধ্যমে লাইভ করেও ঘটনার প্রচার করা হয়। পরদিন ২৩ জুন তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
মামলার ধারায় পরে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও যুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়, একজন সাংবিধানিক পদে থেকে নুরুল হুদা নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম, আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণে জড়িত ছিলেন। তাকে ভিন্নায়তনে বিচারযোগ্য গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলছেন, এই জবানবন্দি মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।
খবরওয়ালা/আরডি