খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 20শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ | ৩ই জুন ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5
ইবি প্রতিনিধি ॥ অজ্ঞাত এক নারীর সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসানের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত শনিবার (১ জুন) ফেইসবুকে থেকে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিটিতে দুইজনকেই নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। প্রকাশিত ভিডিওটির সত্যতা উদঘাটিত না হওয়া পর্যন্ত রেজিস্ট্রারকে তার পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। গতকাল রোববার (০২ জুন) বেলা ১১ টায় ফোরামের জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে সভাপতি অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেজিস্ট্রার পদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। পদাধিকারবলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সভা ও দাপ্তরিক কাজে উপস্থিত থাকতে হয়। এমন একটি অশ্লীল ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সভা ও দাপ্তরিক কাজে উনার উপস্থিতি একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এমতাবস্থায় প্রকাশিত ঘটনার সত্যতা উদঘাটিত না হওয়া পর্যন্ত রেজিষ্টার পদ থেকে তাঁকে সাময়িক ভাবে অব্যাহতি প্রদানের দাবি জানানোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও সভায় ইতোপূর্বে রেজিস্ট্রারের সাথে জনৈক এক ঠিকাদারের অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট দ্রুতসময়ের মধ্যে প্রকাশ করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও কলের স্ক্রিন রেকর্ডটিতে ইবি রেজিস্ট্রারের চেহারা স্পষ্ট বোঝা গেলেও বিপরীত পাশের মেয়েটিকে শনাক্ত করা যায়নি। ভিডিওতে দেখা যায়, ইবি রেজিস্ট্রার আলী হাসান অজ্ঞাত ঐ মেয়ের সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় ভিডিও কলে রয়েছেন। এসময় দুইজন বিভিন্ন অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন। তবে প্রকাশিত এই ভিডিওকে এআই ইডিট বলে দাবি করেছেন রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান। তিনি বলেন, আমি ভিডিওটা দেখেছি। এগুলো এআই দিয়ে ইডিট করা ভিডিও। ইডিট করে অন্যজনের দেহে আমার মাথা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাকে হেনস্তা করতে আমার বিরোধী পক্ষ এটি করেছে। ন্যাচারালি এর শাস্তি তারা পাবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে ভিডিওটা দেখিনি। এমন অশ্লীল ভিডিও দেখতেও চাই না। আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব। তিনি জড়িত থাকলে অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।