খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 18শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ২ই ডিসেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মধ্যে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সমন্বিত পেরোল ব্যাংকিং ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা প্রদান করবে এমটিবি। এ উপলক্ষে ঢাকার আফতাবনগরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা চুক্তিপত্র বিনিময় করেন।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মহবুবার রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দলিল বিনিময় করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চুক্তির আওতায় এমটিবি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি সংগ্রহ, বিভিন্ন পেমেন্ট-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের পেরোল ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের দায়িত্ব পালন করবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক কার্যক্রম আরও দ্রুত, সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ সময় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর শামস রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক, কোষাধ্যক্ষ এয়ার কমডোর ইশফাক ইলাহী চৌধুরী (অব.), রেজিস্ট্রার মাশফিকুর রহমান এবং অর্থ দপ্তরের পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম এফসিএ।
অন্যদিকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মো. শফকাত হোসেন, রিটেইল সেগমেন্ট প্রধান তাহসিন তাহের, ট্রানজেকশন ব্যাংকিংয়ের ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট প্রধান মোহাম্মদ আশিক ইকবাল খান এবং পেরোল ব্যাংকিং প্রধান রাশেদ আহমেদ বিন ওয়ালীসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বাড়তি ফি আদায়ে হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, তা প্রত্যাহার হওয়ায় নতুন হার অনুযায়ী ফি আদায়ে আর কোনও বাধা থাকছে না। গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে রবিবার বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাব কর্মকর্তা সার্কুলার জারি করে বাড়তি হারে ফি সংগ্রহের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।
১৫ সেপ্টেম্বর নতুন ফি কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হলেও বিভিন্ন পক্ষের আপত্তিতে হাইকোর্ট ৯ নভেম্বর এক মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তবে শিপিং মন্ত্রণালয়ের লিভ-টু-অ্যাপিলের পর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন। মামলাকারীর আইনজীবী মাঈউদ্দিন আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৯৮৬ সালের পর এবারই প্রথম ফি বাড়ানো হয়েছে, তাই হার বৃদ্ধি যৌক্তিক। ব্যবহারকারীরা বরং ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ বাড়তি হার কার্যকর করেছে।
খবরওয়ালা /এজে