খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১ জুন ২০২৪
ক্রীড়া ডেস্ক ॥ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরু থেকে আজ অব্দি প্রতিটি আসরেই খেলেছেন সাকিব আল হাসান। এবার দাঁড়িয়ে আরো একটা বিশ্বকাপের দোরগোড়ায়। তবে এখানেই থামছেন না সাকিব, খেলতে চান আরো একটা আসর। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চান আরো একবার। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর। গত দেড়যুগে মাঠে গড়িয়েছে আরো সাতটি নিশ্বকাপ। আর ২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে পর্দা উঠবে এই টুর্নামেন্টের নবম সংস্করণের। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ২০০৭-২০২২, এই সবগুলো আসরেই দলে ছিলেন সাকিব আল হাসান। খেলছেন এবারের আসরেও। সাকিব ছাড়া কেবল রোহিত শর্মার আছে এমন কীর্তি। এবারো আছেন তিনি, নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারত দলকে। ফলে বলাই যায় ক্রিকেটের বিরল এক রেকর্ডের অধিকারী এই দু’জনে। যা গর্বিত করে তুলেছে সাকিবকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিসিবির বিশেষ আয়োজন দ্য গ্রিন রেড স্টোরিতে এই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সাকিব। উত্তর দেন এটাই নিজের শেষ বিশ্বকাপ কিনা, এমন প্রশ্নেরও। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত বিসিবি’র ভিডিওতে দেখা যায়, সবগুলো আসরে অংশ নিতে পারাটা তার কাছে অনেক গর্বের এবং আনন্দের দাবি করে সাকিব বলেন, ‘প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যতগুলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলো সবগুলোতেই অংশ নিতে পেরেছি। আমার জন্য এটা গর্বের ও আনন্দের। তবে এখানেই থামতে চান না সাকিব। খেলতে চান আরো একটা আসর। সাকিব বলেন, ‘আমি ও রোহিত শর্মাই হয়তো সবগুলো বিশ্বকাপে খেলেছি। আশা করব আরো একটি বিশ্বকাপ যেন খেলতে পারি। তার আগে এই বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স যেন ভালো থাকে। বাংলাদেশ যেন তুলনামূলক ভালো ফল করে আসে। সাকিব স্ত্রী-সন্তান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেই আছেন দীর্ঘদিন ধরে। খেলার ফাঁকে এখানেই আসেন বেড়াতে। যা নিয়ে মজা করতে ভুল করেননি সাংবাদিকরা। প্রশ্ন করেন, ‘অনেকেই বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র সাকিবের ‘সেকেন্ড হোম’। আর ঘরের সুবিধা কি পাবে বাংলাদেশ দল? সাকিব হাসতে হাসতে এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘আমার সেকেন্ড হোম ঠিক আছে। তবে হোম অ্যাডভান্টেজ পাবে কি না বলাটা মুশকিল। কিন্তু আমার মনে হয় পাবে।’ তার দাবির পেছনে যুক্তিও দেখান সাকিব। বলেন, ‘এর আগে ফ্লোরিডায় যখন খেলেছি বাংলাদেশ ভালো করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা সব সময়ই সুবিধা পাই। কারণ পিচগুলো অনেকটা আমাদের মতোই হয়ে থাকে। তাই আমি আশা করছি দুই জায়গাতেই আমরা সুবিধা পাব। জানতে চাওয়া হয় বিশ্বকাপে সাকিবের লক্ষ্য সম্পর্কেও। যেখানে বরাবরের মতো দেশকেই প্রাধান্য দেন তিনি। বলেন, ‘আমার নামের পাশে আমি কিছু দেখতে চাই না। একটি জিনিসই চাই যেন বাংলাদেশের হয়ে অবদান রাখতে পারি। এই বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশের হয়ে ভালো কিছু করতে পারি।