খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 10শে পৌষ ১৪৩২ | ২৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ভিডিওতে দেখা গেছে, মাদ্রাসার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কামিল প্রথম বর্ষ পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা বই খুলে নির্বিঘ্নে উত্তরপত্রে লেখা করছে। একই পরীক্ষা কেন্দ্রের একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা মুহূর্তেই জনমনে বিস্ময় এবং উদ্বেগ তৈরি করেছে।
পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস এই ঘটনার ব্যাপারে দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এই পরীক্ষার নয়। তিনি দাবি করেন, “কেউ স্বার্থসিদ্ধির কারণে বা শত্রুতা করে এই ভিডিওটি ছড়িয়ে দিয়েছে। তদন্ত করলে সত্যতা বেরিয়ে আসবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। তিনি জানিয়েছেন, “ঘটনার প্রকৃততা যাচাই করার জন্য একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনার পর স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, পরীক্ষা ব্যবস্থায় এমন অবহেলা শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আবার কেউ কেউ সতর্ক করেছেন যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দিয়ে প্রকৃত ঘটনা কখনোই যাচাই করা সম্ভব নয়।
| বিষয় | তথ্য |
| ঘটনা | মাদ্রাসায় বই খুলে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল |
| স্থান | পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা |
| পরীক্ষা | ফাজিল (কামিল) প্রথম বর্ষ |
| ঘটনা প্রকাশ | মঙ্গলবার, ফেসবুক |
| তদন্ত | উপজেলা প্রশাসনের তিন সদস্যের কমিটি গঠন |
| মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মন্তব্য | ভিডিওটি ওই পরীক্ষার নয়; ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ভুয়ো ভিডিও |
| প্রশাসনের মন্তব্য | সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে; প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে |
প্রসঙ্গত, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এবং তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব এবার আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।