খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 17শে ফাল্গুন ১৪৩০ | ২৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5
নিজ সংবাদ \ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজার সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য প্রদান করেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা ইউনিট কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোঃ রফিকুল আলম টুকু এবং জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তারেক জুবায়ের। এছাড়াও উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং জেলা পর্যায়ের দপ্তরসমূহের প্রধানগণসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। প্রস্তুতি সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপি কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান সূচীতে আগামী ৬ই মার্চ শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলার অডিটোরিয়ামে মঞ্চ নাটক প্রদর্শন করা হবে। এছাড়াও ৭ই মার্চ সকাল সাড়ে ৮ টায় কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্ত¡রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অপর্ন, আলোচনা সভা এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হবে। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন। ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওইদিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল আমাদের প্রেরণার চিরন্তন উৎস। বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণের দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্র কঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অমিত শক্তির উৎস ছিল এই ঐতিহাসিক ভাষণ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষণ সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ এবং স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে। কোনো ধরনের আপসের পথে না গিয়ে বঙ্গবন্ধুর আহŸানে সাড়া দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে ৩০ লাখ মানুষ জীবন উৎসর্গ করে, যা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন।