খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 14শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২৯ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা জাসদের সদস্য সচিব এ কে এম মাহবুবার রহমান রুস্তমকে আদালতে চালান দিতে পুলিশের গড়িমসি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির পর নন্দীগ্রাম থানার ওসিসহ তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই প্রত্যাহারের সঙ্গে বিতর্কের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতোয়ার রহমান বলেন, তাদের প্রত্যাহারের কারণ জানা নেই। এর আগে মঙ্গলবার রাতে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এবং বগুড়া জেলা পুলিশ সুপারের আদেশে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ), পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় এবং এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাসদ নেতা এ কে এম মাহবুবার রহমান রুস্তমকে গত ২৪ আগস্ট সকালে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন (বিআরডিবি) সমিতির কার্যালয় থেকে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা আটক করে পুলিশে দেয়।
নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার জানান, রুস্তম চাকরি দেওয়ার নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ ছিল। পাওনাদাররা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠাতে গড়িমসি করে। সকাল ১০টায় আটক হলেও রাত ১২টায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এ সময় অভিযোগ ওঠে, আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাকে থানায় বিশেষ খাতির করা হচ্ছিল।
বিএনপির এই নেতা আরও জানান, একজন আসামিকে থানায় সমাদর করা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওসিসহ তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেন।
তবে নন্দীগ্রাম থানার ওসির দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, রুস্তমের নামে কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় ‘রুস্তম আলী’ নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকায় তাকে জানুয়ারিতে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বগুড়ার পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, জাসদ নেতা রুস্তমের গ্রেপ্তারের সঙ্গে এই তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি জানান, জনগণকে ভালো সেবা দেওয়ার জন্য থানা পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।
খবরওয়ালা/টিএসএন