খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 5শে চৈত্র ১৪৩২ | ১৯ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে দুই কারাবন্দি মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিক তথ্যানুসারে, মৃতদের মধ্যে একজন হলেন ৩৪ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিক পিন্টু কুমার, যিনি অলক কুমারের পুত্র। অপরজন ৬৪ বছর বয়সী হাসেম খাঁ তালুকদার, যিনি নেত্রকোনা সদর উপজেলার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুস সালাম গনির সন্তান।
দুই কারাবন্দিই অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকগণ তাদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন। পিন্টু কুমারের মৃত্যু ঘটেছে দুপুর ১টার কিছু আগে, এবং হাসেম খাঁ তালুকদারের মৃত্যু প্রায় ১০ মিনিটের ব্যবধানে ঘটে।
মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।
| নাম | বয়স | জাতীয়তা | বাড়ির ঠিকানা | বাবা/পিতামাতার নাম | মৃত্যু সময় |
|---|---|---|---|---|---|
| পিন্টু কুমার | ৩৪ | ভারতীয় | অজানা | অলক কুমার | ১৯ মার্চ, দুপুর ১টার আগে |
| হাসেম খাঁ তালুকদার | ৬৪ | বাংলাদেশী | নেত্রকোনা সদর, রামপুর গ্রাম | আব্দুস সালাম গনি | ১৯ মার্চ, দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে |
উল্লেখ্য, ঢামেক হাসপাতাল হলো দেশের অন্যতম প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র, যেখানে জটিল ও জরুরি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কারাগার থেকে আসে এমন অসুস্থ বন্দীদের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ি ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ রিপোর্ট করবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারাবন্দিরা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা বা হঠাৎ শারীরিক জটিলতার কারণে মারা গেছেন, তবে সঠিক তথ্য ময়নাতদন্তের পরই প্রকাশ করা হবে।
এ ঘটনায় কারাগার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। এছাড়া মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মোটকথা, এই দু’জন কারাবন্দির মৃত্যু দেশের কারাগার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং বন্দিদের চিকিৎসা ব্যবস্থার দিক থেকে এক গুরুত্বপূর্ন নজরদারি দাবি করছে।