খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 20শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ৪ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত, অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি, সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরার বিষয়টি নিজেই সংবাদমাধ্যমে জানান তিথি। তিনি বলেছেন, “আমি পুরো টিমের সঙ্গে ২ মার্চ দেশে এসেছি। অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে আলভী তার স্ত্রীকে শেষবার দেখতে আসেননি এবং নেপালে তার গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তিথি আরও জানান, “যেদিন ইকরা আত্মহত্যা করেন, সেই দিন একটি বিমান টিকিটের জন্য বহু জায়গায় যোগাযোগ করা হয়েছিল। প্রথম দিন টিকিট পাওয়া যায়নি। পরের দিন সঠিক ব্যবস্থা করা হয় এবং টিমসহ দেশে ফিরে আসি।”
শোবিজ অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন ছিল যে, ইফফাত আরা তিথি ও জাহের আলভীর মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। ইকরা মৃত্যুর পর তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের দাবি ছিল যে, এই সম্পর্কের কারণে ইকরার মানসিক অবস্থা ভেঙে গিয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।
তবে তিথি এসব গুজবের বিরুদ্ধে বললেন, “আলভীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধুই পেশাগত। আমরা দীর্ঘদিন ধরে একসাথে কাজ করছি। যেকোনো অফিসে আপনি যদি চার-পাঁচ বছর কারো সঙ্গে কাজ করেন, তা বন্ধুত্বের কারণ হতে পারে। আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। আগেও আমি বহু সাক্ষাৎকারে একই কথা বলেছি।”
ইকরার মৃত্যুর পর মামলা সংক্রান্ত তথ্যগুলো নিম্নে টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| মৃত ব্যক্তি | ইকরার আলভী |
| মৃত্যু তারিখ | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| মৃত্যু স্থান | মিরপুর, ডিওএইচএস, ঢাকা |
| মৃতদেহ উদ্ধার | পরিবারের সদস্যরা |
| মৃত্যুর কারণ | গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা |
| হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া | কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল |
| মামলা দায়েরকারী | ইকরার বাবা |
| অভিযুক্ত | জাহের আলভী, তার মা ও ইফফাত আরা তিথি |
| মামলা ধারা | আত্মহত্যার প্ররোচনা |
প্রসঙ্গত, ইফফাত আরা তিথি দীর্ঘদিন ধরে শোবিজ অঙ্গনে সক্রিয়। পেশাগত ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তার নামটি সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে আলোচিত হয়ে এসেছে। তিথি দেশে ফিরে জানান, তিনি সঠিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সকল গুজবের প্রেক্ষাপট পরিষ্কার করতে চাইছেন।
তিনি আরও বলেন, “মানুষের মধ্যে গুজব ও ভুল ধারণা থাকা স্বাভাবিক, তবে সত্যের প্রতিফলনই গুরুত্বপূর্ণ। আমি সর্বদা পেশাদার এবং নৈতিকতার সীমার মধ্যে কাজ করে আসছি।”
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীরা এখনো মানসিক সমর্থন এবং তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মামলা পরিচালনার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন।