খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ও গণভোটের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামীকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে সারা দেশে পাঁচ ধরণের যানবাহনের চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার দিন বৃহস্পতিবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, এই পাঁচটি যানবাহন হলো: মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ট্রাক। তবে ভোটাররা ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) ব্যবহার করতে পারবেন এবং মেট্রোরেলও স্বাভাবিকভাবে চলবে।
ইসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের পরদিন শুক্রবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ইসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে কিছু ব্যতিক্রমও থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (যেমন ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী বা সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন) চলতে পারবে। এছাড়া বিমানবন্দর যাত্রা বা আত্মীয়স্বজনের সাথে যাতায়াতের জন্য প্রমাণ সহ যানবাহন ব্যবহার করা যাবে।
দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে দূরপাল্লার যাত্রীর জন্য যেকোনো যানবাহনের চলাচল অনুমোদিত। গণপরিবহণে কোনো নতুন নির্দেশনা প্রযোজ্য হয়নি।
নিচের টেবিলে নির্বাচনের দিন নিষিদ্ধ যানবাহন ও ব্যতিক্রমসমূহ সংক্ষেপে দেখানো হলো:
| ক্রমিক | যানবাহনের ধরন | চলাচল অবস্থা/বিকল্প |
|---|---|---|
| ১ | মোটরসাইকেল | ভোটগ্রহণ পর্যন্ত বন্ধ; ইসি স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল চলবে |
| ২ | ট্যাক্সিক্যাব | সম্পূর্ণ বন্ধ; জরুরি বা অনুমোদিত ব্যতীত চলবে না |
| ৩ | পিকআপ | বন্ধ; জরুরি বা অনুমোদিত ব্যতীত চলবে না |
| ৪ | মাইক্রোবাস | বন্ধ; জরুরি বা অনুমোদিত ব্যতীত চলবে না |
| ৫ | ট্রাক | বন্ধ; জরুরি বা অনুমোদিত ব্যতীত চলবে না |
| – | ব্যক্তিগত গাড়ি | চলতে পারবে; ভোটাররা ব্যবহার করতে পারবেন |
| – | মেট্রোরেল | স্বাভাবিকভাবে চলবে |
| – | জরুরি সেবা যানবাহন | চলতে পারবে (ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা, সংবাদপত্র) |
| – | বিমানবন্দর/আত্মীয় | প্রমাণ দেখালে চলতে পারবে |
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, এই ব্যবস্থা ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচনের দিন জনজট ও যানজট কমাবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা নির্বাচনের পরিবেশকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সহায়ক হবে।