খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ২৪টি কারখানার সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একজন শ্রমিক নিহতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বাপজা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোর কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করে। বাপজার নির্বাহী পরিচালক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার পরিস্থিতি দেখে বৃহস্পতিবার কারখানাগুলো খুলবে কিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত এভারগ্ৰিন নামে একটি কোম্পানিতে ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে দুই দিন ধরে আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। গত সোমবার রাতে হঠাৎ কোম্পানি বন্ধের নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে এভারগ্রিন কারখানার শ্রমিকেরা ওই নোটিশ দেখতে পান। এ ঘটনার প্রতিবাদে ইপিজেডের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকেরা। সকাল ৯টার দিকে তাদের সরিয়ে দিতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে দাবি শ্রমিকদের। সংঘর্ষে একজন শ্রমিক নিহত হন। ওই শ্রমিকের নাম হাবিব (২১)। তিনি ইকু প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির শ্রমিক বলে জানা গেছে। আহত আরও কয়েকজন শ্রমিক নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিন বিকেলে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর সাঈদ বলেন, আমরা এখনো ঘটনাস্থলে আছি। অনুমতি ছাড়াই হাসপাতাল থেকে লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।
খবরওয়ালা/এফএস