খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 14শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ২৮ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলসহ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা চরগড়গড়ির যগির মোড়ে এই সংঘর্ষ ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেদিন বিকেলে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডল দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে সাহাপুর ইউনিয়নের রহিমপুর বটতলা থেকে চরগড়গড়ি আলহাজ মোড়ের উদ্দেশে রওনা হন। মিছিলটি যগির মোড়ে পৌঁছালে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি মুহা. সাইদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার (২৬ নভেম্বর) চরগড়গড়ি গ্রামের জামায়াতের রুকন (সদস্য) ডা. ইকবাল হোসেনকে মারধর করেন পাবনা-৪ আসনের বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক ও সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মক্কেল মৃধা এবং তার লোকজন। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে চরগড়গড়ি এলাকায় জামায়াতে ইসলামী বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে যাওয়ার পথে যগির মোড়ে মক্কেল মৃধার লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
তিনি আরও জানান, হামলায় আবু তালেব মণ্ডলসহ জামায়াতের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। এ সময় হামলাকারীরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়।
সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী বলেন, জামায়াতের মোটরসাইকেল বহর থেকে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় জামায়াতের পক্ষ থেকে ৪০ রাউন্ডের বেশি গুলিবর্ষণ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এতে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।
রূপপুর গ্রিন সিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে দেখতে পান। সেখানে কয়েকটি পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলও দেখা যায়।
এ বিষয়ে জানতে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুর নূরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
খবরওয়ালা/টিএসএন