খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ মে) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলেও, কাকরাইল মোড়ে পুলিশের বাধা ও হামলার মুখে তারা অবস্থান কর্মসূচিতে যান। ওই সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও অবস্থান চালিয়ে যান তারা।
এ পরিস্থিতিতে বিকেল ৩টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে কাকরাইল মোড়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন। কিছুক্ষণ অবস্থানরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁরা যমুনা ভবনে চলে যান।
এর আগে, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী যমুনা অভিমুখে রওনা দেন। গুলিস্তান মাজার গেট এলাকায় প্রথমে এবং পরে মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা। বাধা উপেক্ষা করে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে পৌঁছাতেই পুলিশ অতর্কিতে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও গরম পানি নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩৮ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, ‘আমাদের শিক্ষক ও ছাত্রদের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে তার বিচার চাই। ঘাতক পুলিশের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকব।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘সরকারের এই কর্মকাণ্ডে আমরা মর্মাহত। পুলিশের এই বর্বর হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। কাকরাইল মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে তারা এখনো অবস্থান করছেন।
খবরওয়ালা/আরডি