খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে চৈত্র ১৪৩১ | ১০ই এপ্রিল ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘গতকাল বুধবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস যখন ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ নিয়ে কথা বলছিলেন, তিনি আবেগে তার গলা ধরে আসা থামাতে পারেননি। প্রায় এক মিনিট তিনি মঞ্চে নীরব দাঁড়িয়ে ছিলেন, তার ভাবনা ও কথা গুছিয়ে নিতে তিনি সময় নিচ্ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার ( ১০এপ্রিল) বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসের বক্তব্য দেওয়ার সময় তাঁর নীরব থাকা নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘পরে আমরা যখন তার বক্তৃতার ভিডিওটি প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে পোস্ট করি, তখন আমাদের প্রেস টিম খেয়াল করল যে সেই এক মিনিটের নীরবতা ভিডিও থেকে নেই। সম্ভবত ভিডিও এডিটর, যিনি বক্তৃতাটি সরাসরি দেখেননি, নীরব অংশটি কেটে দিয়েছেন এবং পুরো বক্তৃতাকে মসৃণ ও ধারাবাহিক করে তুলেছেন।’
‘কিন্তু তিনি জানতেন না যে সেই এক মিনিটের নীরবতাই ছিল বক্তৃতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পৃথিবীতে অনেক কিছু আছে যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
নীরবতা এতটাই শক্তিশালী যে মাঝে মাঝে সেটাই একমাত্র ভাষা হয়ে ওঠে কোনো আবেগ প্রকাশের — কোনো ঘটনার গভীর স্মৃতিচারণা কিংবা জীবনের সবচেয়ে কঠিন স্মৃতি মনে পড়ার মুহূর্তে।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘প্রায়ই নীরবতা সোনার চেয়েও দামি। আবার নীরবতা অসহনীয়ও হতে পারে। কিন্তু নীরবতা এমন এক শক্তিশালী মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি এমন কিছু প্রকাশ করতে পারেন যা কথায় বলা সম্ভব নয়।
খবরওয়ালা/এমএজেড