খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 9শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ | ২৩ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়েছেন। আমাদের সেনাপ্রধান দেশের স্তম্ভ। আপনারা ব্যক্তিগত মান-অভিমানের কারণে মানুষের স্বপ্ন ফিকে হতে দেবেন না।’
শুক্রবার (২৩ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে চার দফা দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতা মাওলানা মামুনুল হক।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘দেশের চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে জাতীয় নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া দরকার। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও, সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।’
সমাবেশ শেষে একটি মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়, যাতে হেফাজতের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এ সময়ে ক্ষমতা নিয়ে ‘মারামারি-হানাহানি করা সমীচীন হবে না’ উল্লেখ করে তিনি সব রাজনৈতিক দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এভাবে টাইম ফ্রেম বেঁধে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব না।’
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘একের পর এক দাবি আদায়ের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে এই দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।’
সমাবেশে হেফাজত মহাসচিব সাজিদুর রহমান বলেন, নারী কমিশন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ কোনও করিডর মেনে নিবে না। শেখ হাসিনার বিচার ছাড়া কোনও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে না।
সমাবেশে একইসঙ্গে সংবিধান থেকে বিতর্কিত বহুত্ববাদ প্রত্যাহার, সংস্কার ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের রূপরেখা ঘোষণার দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে হেফাজত নেতারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন হয়ে বিজয়নগর পানির ট্যাংকির কাছে গিয়ে শেষ হয়।