খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলায় বিএনপি নেতার হামলায় আহত যুবদল নেতা রাশেদুল হাসান (২৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক হারুন অর রশিদ। নিহত রাশেদুল হাসান সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে গত ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পাকুল্লা বাজারে রাশেদুলের ওপর হামলা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন পাকুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান বাটালু। তার অনুসারীরা রাশেদুলকে ধাওয়া করলে তিনি মোটরসাইকেল ফেলে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানেই তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।
এদিকে রাশেদুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বাটালু ও তার সহযোগীদের ৪-৫টি বাড়ি ভাঙচুর করেন। তবে ঘটনার আগেই তারা পালিয়ে যান।
এলাকাবাসী জানান, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে তিনটি গ্রুপ সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। একটির নেতৃত্বে রয়েছেন পাকুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান বাটালু, বিএনপির সাবেক সভাপতি আলী হাসান নারুন ও অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন বগুড়া শহর জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি মাজেদুর রহমান জুয়েল।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মাজেদুর রহমান জুয়েল ২৫-৩০টি মোটরসাইকেল নিয়ে পাকুল্লা বাজারে মহড়া দেন। এসময় এরপর বিএনপি নেতা বাটালু দাবি করেন, তারা তার বাড়িতে হামলা চালাতে এসেছিল। সেই মোটরসাইকেল বহরে যুবদল নেতা রাশেদও ছিলেন। তবে জুয়েল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি গ্রামের বাড়িতে গিয়ে মসজিদে ইমামতি করেছি এবং একটি বিয়ের দাওয়াতে অংশ নিয়েছি। বাটালুর বাড়িতে হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
তবে এখনো এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওসি হারুন অর রশিদ।
খবরওয়ালা/জেআর